রপ্তানি প্রবৃদ্ধি অর্জনের গতিধারা, পণ্য ও বাজার সম্প্রসারণে সরকারের দেওয়া আর্থিক সুবিধা, রাশিয়া-যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববাণিজ্যের সাম্প্রতিক গতিধারা, দেশে করোনার প্রভাব, রপ্তানি সম্ভাবনাময় পণ্য ও সেবা খাতের বিকাশ ইত্যাদি বিষয় বিবেচনায় নিয়ে এ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ২০২১-২২ সালে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫ হাজার ১০০ কোটি ডলার। এর বিপরীতে রপ্তানি আয় হয়েছে ছয় হাজার কোটি ডলারের বেশি। বৈশ্বিক বাজার চীন থেকে কিছুটা সরে যাওয়ার কারণে এটা হয়েছে। এ ছাড়া করোনার কারণে দুই বছর মানুষ সাশ্রয়ী ছিল। দুই বছর পর করোনা অনেকটা স্তিমিত হওয়ায় মানুষের মধ্যে কেনাকাটার প্রবণতা তৈরি হয়েছে। দুই বছরের কৃচ্ছ্রর কারণে যে চাহিদা পুঞ্জীভূত হয়েছে, তারা এখন সেই চাহিদা মেটাচ্ছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘অনেক পণ্য লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী এগোচ্ছে না, তারপরও কোথাও নেতিবাচক কিছু নেই। পোশাক খাত নিয়ে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। আমরা ২০০৮ সালে শুনেছি, পোশাক খাতের খারাপ দিন আসবে। কিন্তু সবার মুখে চুনকালি দিয়ে আমরা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দিকে এগোচ্ছি।’

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন