বিবিএস আজ বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে জুলাই মাসের মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশ করেছে। সংস্থাটি বলছে, জুলাই মাসে খাদ্যের মূল্যস্ফীতি কমার কারণেই মূলত সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমেছে। গত মাসে খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ১৯ শতাংশে। জুনে এটি ছিল ৮ দশমিক ৩৭ শতাংশ। খাদ্যের মূল্যস্ফীতি কমলেও গত মাসে বেড়েছে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি। জুলাইয়ে এ খাতে মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৩৯ শতাংশ, যা জুনে ছিল ৬ দশমিক ৩৩ শতাংশ।

সার্বিকভাবে জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতি কমার কারণ হিসেবে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, চাল ও ভোজ্যতেলের দাম কমার কারণেই মূল জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতি আগের মাসের তুলনায় কমেছে। বিশ্ববাজারে ভোজ্যতেলের দাম কমে যাওয়ায় দেশেও দাম কমেছে। আবার চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকার আমদানির অনুমতি দেওয়ায় স্থানীয় বাজারে চালের দাম কমেছে। ভবিষ্যতে মূল্যস্ফীতি আরও কমবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। বিবিএসের মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশের পর পরিকল্পনামন্ত্রী শেরেবাংলা নগরে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে তার দপ্তরে এ নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

বিবিএস বলছে, জুন মাসের তুলনায় জুলাইয়ে খাদ্যপণ্যের মধ্যে আটা, ময়দা, ব্রয়লার মুরগি, ডিম, পটল, চিচিঙ্গা, ঝিঙে, কাঁকরোলের দাম কমেছে। আর খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মধ্যে বোতলজাত সিলিন্ডার গ্যাস ও সোনার দাম কমেছে। এ কারণে সার্বিকভাবে মূল্যস্ফীতি কমেছে।

বিবিএস আরও জানিয়েছে, জুলাই মাসে আলু, লাউ, বেগুন, বরবটি, আদা, রসুন ও কাঁচা মরিচ এবং পোশাক, জুতা ও ওষুধের দাম বেড়েছে জুনের তুলনায়। আর খাদ্যপণ্যের মধ্যে হরলিক্স, ওভালটিন, পাউডার দুধ, লবণ, নুডলস ও খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মধ্যে পরিবহন ও যোগাযোগ, শিক্ষা ইত্যাদি খাতের পণ্যমূল্য জুলাই মাসে স্থিতিশীল ছিল।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন