সিঙ্গাপুরের ভিটল এশিয়া থেকে আনা হচ্ছে ১ কার্গো এলএনজি, দাম ৯৫০ কোটি টাকা

তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি)ফাইল ছবি: বাসস

দেশে জ্বালানি চাহিদা পূরণে আন্তর্জাতিক দরপদ্ধতিতে সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ভিটল এশিয়া থেকে এক কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি করা হচ্ছে। এতে ব্যয় হবে প্রায় ৯৫০ কোটি টাকা।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকায় সচিবালয়ে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ–বিষয়ক প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। বৈঠক শেষে তা সাংবাদিকদের জানায় অর্থ মন্ত্রণালয়।

এক কার্গো সমান ৩৩ লাখ ৬০ হাজার মিলিয়ন মেট্রিক ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট (এমএমবিটিইউ) এলএনজি।

সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ভিটল এশিয়া প্রাইভেট লিমিটেডকে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজি আনা হচ্ছে ২২ দশমিক ৩৫ মার্কিন ডলার দরে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এতে ব্যয় হবে ৯৪৯ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। এই দামের মধ্যে অগ্রিম আয়কর (এআইটি) অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ছয় মাসে আন্তর্জাতিক বাজারে এলএনজির দাম বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। বছরের শুরুতে অর্থাৎ জানুয়ারিতে এশিয়ার স্পট বাজারে প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির দাম ছিল ১০ থেকে ১১ মার্কিন ডলার। গত এপ্রিলের শেষ দিকেও প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির দাম ছিল ১৪ থেকে ১৫ মার্কিন ডলার।

জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে তা বেড়ে প্রায় ২২ মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সংঘাত, কাতারের সরবরাহে অনিশ্চয়তা এবং এশিয়ার দেশগুলোর বাড়তি চাহিদা এলএনজির মূল্যবৃদ্ধির প্রধান কারণ বলে জানা গেছে।

এলএনজি ছাড়াও ক্রয় কমিটিতে আজ বৃহস্পতিবার চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডের (কাফকো) কাছ থেকে প্রথম লটে ৩০ হাজার টন দানাদার ইউরিয়া সার কেনার প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। প্রতি টন সারের দাম ধরা হয়েছে ৩৫৭ দশমিক ২৫ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এতে ব্যয় হবে ১৩২ কোটি ৬৩ লাখ টাকা।