নিত্যপণ্যের আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে উৎপাদনে জোর দিতে বলা হয়েছে বৈঠকে। পেঁয়াজের আমদানি অনুমতিপত্র (আইপি) বজায় রাখার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে, যাতে ভারতসহ পেঁয়াজ রপ্তানিকারক দেশগুলো রপ্তানি বন্ধ করে দিলে বাংলাদেশের কোনো সমস্যা না হয়। ভোজ্যতেলের ক্ষেত্রেও শুধু সয়াবিন ও পাম তেলের ওপর নির্ভর না করে সূর্যমুখী, সরিষা ও রাইসব্র্যান তেল উৎপাদনের তাগিদ দেওয়া হয়। বৈঠকে দ্বিতীয় সভার সিদ্ধান্ত কতটুকু বাস্তবায়িত হয়েছে, তা নিয়েও আলোচনা হয়।

বাণিজ্যসচিব তপন কান্তি ঘোষ প্রথম আলোকে বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়লে দেশীয় বাজারে বাড়ে, কিন্তু কমলে আর কমে না, এমন ধারণা আমরা ভেঙে দিয়েছি ভোজ্যতেল দিয়ে। আগামী মাসে এ ভোজ্যতেলের দাম সমন্বয় নিয়ে আবার বৈঠক হবে। খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি বন্ধের বিষয়ে এফবিসিসিআই সহযোগিতা করবে বলে আশ্বাস দিয়েছে।’

বৈঠকে জানানো হয়, আজ বুধবার থেকে হ্রাসকৃত মূল্যে (১৮৫ টাকা লিটার) সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে কি না, সেটি তদারকি করবে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

বৈঠকে ২০২০-২১ এবং ২০২১-২২ অর্থবছরে চিনি, সয়াবিন ও পাম তেলের ঋণপত্র (এলসি) খোলা ও নিষ্পত্তির চিত্র তুলে ধরা হয়। ২০২০-২১ অর্থবছরে ১৯ লাখ ৫৯ হাজার ৯৪০ টন অপরিশোধিত চিনি আমদানির এলসি খোলা হয়। পরের অর্থবছরে খোলা হয় ২২ লাখ ৫১ হাজার টনের এলসি। এক বছরের ব্যবধানে ২ লাখ ৯১ হাজার ৬১ টন চিনি আমদানির এলসি বেশি খোলা হয়। পরিশোধিত চিনিও ৩৫ হাজার ৭৭৩ টনের জায়গায় হয় ১ লাখ ২৭ হাজার ৩৬৭ টন।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন