পাঁচ কার্গো এলএনজি কেনা হচ্ছে তিন দেশের প্রতিষ্ঠান থেকে

এলএনজিপ্রতীকী ছবি

তিন দেশের তিন কোম্পানি থেকে পাঁচ কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেনা হচ্ছে। এর মধ্যে সুইজারল্যান্ডের এসওসিএআর ট্রেডিং এসএ থেকে দুই কার্গো, যুক্তরাজ্যের টোটাল ইঞ্জিনিয়ারিং গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার থেকে দুই কার্গো এবং সিঙ্গাপুরের বিপি সিঙ্গাপুর প্রাইভেট থেকে এক কার্গো এলএনজি আনা হবে।

আজ বুধবার ঢাকায় সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এলএনজি কেনার এ প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। বৈঠকে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে ৪ দশমিক ৯০ কিলোমিটার খালের উভয় পাশে মোট ৯ দশমিক ৮০ কিলোমিটার স্লোপ প্রটেকশন, চলাচলের রাস্তা ও দুটি ঘাট নির্মাণের একটি প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ১০৯ কোটি টাকা।

এদিকে বিশ্বব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে নীলফামারী ও হবিগঞ্জ জেলায় ৫৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতে ব্যয় হবে ৪২৩ কোটি ৪০ লাখ টাকা। যৌথভাবে কাজ পেয়েছে বিডিই লিমিটেড, ওয়েস্টার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং (প্রাইভেট) লিমিটেড ও এম/এস মমিনুল হক।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) বাস্তবায়নাধীন ‘সহনশীল অবকাঠামোর মাধ্যমে অভিযোজন ও ঝুঁকি হ্রাস (রিভার) (প্রথম সংশোধিত)’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় নীলফামারী ও হবিগঞ্জ জেলায় ৫৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। একটি প্রস্তাবে নীলফামারী জেলায় ২৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে ১৮৬ কোটি ৪৯ লাখ টাকা ব্যয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। হবিগঞ্জ জেলায় ২৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে ২৩৬ কোটি ৯১ লাখ টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে।

বন্যাপ্রবণ এলাকায় শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়ন এবং দুর্যোগের সময়ে নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বিদ্যালয়গুলো নির্মাণ করা হবে বহুমুখী অবকাঠামো হিসেবে। বিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি বন্যা ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় স্থানীয় মানুষ আশ্রয় নিতে পারবেন।

ক্রয় কমিটিতে খাদ্যশস্য খামারজাত করার লক্ষ্যে ৫০ কেজি ধারণক্ষমতার এক কোটি পিস নতুন কাট সাইট বি-টুইল বস্তা কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতে ব্যয় হবে ১২৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা। প্রতি পিস বস্তার গড় মূল্য ১২৬ টাকা ২৫ পয়সা।

এদিকে ক্রয় কমিটির পাশাপাশি আজ বুধবার অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বাংলাদেশ পুলিশের জন্য একটি রেকার কেনার আন্তর্জাতিক দরপত্রের সময়সীমা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। দরপত্রের সময়সীমা ৪২ দিন থেকে কমিয়ে ২১ দিন করা হয়েছে।