চার জাহাজ এলএনজি কিনছে সরকার, প্রতি এমএমবিটিইউ সর্বোচ্চ দর ২৮ ডলার
বিদ্যুৎ ও শিল্প খাতের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে চার জাহাজ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কিনতে যাচ্ছে সরকার।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে আজ বুধবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়–সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ–বিষয়ক প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। অর্থ মন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।
এই চার জাহাজ এলএনজি সরবরাহ করবে আন্তর্জাতিক সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান আরামকো ট্রেডিং সিঙ্গাপুর, বিপি সিঙ্গাপুর ও ভিটল এশিয়া।
আরামকো ট্রেডিং সিঙ্গাপুর একটি জাহাজের জন্য প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির দর দিয়েছে ২৭ দশমিক ৫৪ মার্কিন ডলার। প্রতিষ্ঠানটির আরেকটি জাহাজের দর ২৩ দশমিক ৯৮ ডলার। বিপি সিঙ্গাপুর একটি জাহাজের দর দিয়েছে ২৮ দশমিক শূন্য ৩ ডলার, ভিটল এশিয়া আরেকটি জাহাজের দর দিয়েছে ২৬ দশমিক ৬৬ ডলার।
জাহাজভেদে এলএনজির দরে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য আছে। আরামকো ট্রেডিং সিঙ্গাপুরের দুটি কার্গোর একটির দর ২৩ দশমিক ৯৮ ডলার, অন্যটির ২৭ দশমিক ৫৪ ডলার।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ বলছে, সরকারি ক্রয়বিধিমালা অনুযায়ী আন্তর্জাতিক দরপত্র পদ্ধতিতে এসব এলএনজি আনা হচ্ছে।
দেশে গ্যাসের সরবরাহ-সংকটের কারণে বিদ্যুৎ ও শিল্প খাতের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে শিল্পকারখানায় গ্যাসের চাপ কম থাকায় উৎপাদন সক্ষমতার পুরোটা কাজে লাগানো যাচ্ছে না। ফলে আমদানি করা এলএনজি দিয়ে ঘাটতি মেটানোর চেষ্টা করছে সরকার। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে এলএনজির দাম যেমন বেড়েছে, তেমনি এলএনজি পাওয়াও কঠিন হয়ে গেছে।