রেসিলিয়েন্ট ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফর অ্যাডাপশন অ্যান্ড ভালনারেবিলিটি রিডাকশন প্রকল্পের আওতায় এই অর্থ খরচ করা হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে সাড়ে ১২ লাখ মানুষ উপকৃত হবেন।

এই প্রকল্পের আওতায় নদীতীরবর্তী ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ৫০০টির বেশি আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। এ ছাড়া সড়ক ও জলবায়ু পরিবর্তন সহায়ক অবকাঠামো তৈরি করা হবে। বন্যায় আশ্রয়কেন্দ্রগুলো স্বাভাবিক সময়ে প্রাথমিক বিদ্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হবে। এ ছাড়া প্রকল্পের আওতায় ওই সব আশ্রয়কেন্দ্রে সৌরবিদ্যুৎ–ব্যবস্থা তৈরি করা হবে। এ ছাড়া সুপেয় পানি, পয়োব্যবস্থা ও স্বাস্থ্যসম্মত অন্যান্য সুবিধা থাকবে। পাশাপাশি নারীসহ ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে। কেন্দ্রীয়ভাবে একটি ডেটা সেন্টার করা হবে। যেখান থেকে কোন কোন আশ্রয়কেন্দ্রের অবস্থা কেমন, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যাবে।

এ বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন বলেন, ‘সম্প্রতি সিলেটের হৃদয়বিদারক বন্যা পরিস্থিতি আমাদের জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিকে মনে করিয়ে দিয়েছে। আমাদের দুই পক্ষের গত পাঁচ দশকের অংশীদারত্ব দুর্যোগব্যবস্থা উন্নত করতে সহায়তা করেছে।’

বিশ্বব্যাংকের ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের (আইডিএ) কাছ থেকে নমনীয় ঋণ হিসেবে এই অর্থ পাচ্ছে বাংলাদেশ। সুদে–আসলে পরিশোধের সময়সীমা ৩০ বছর। এর মধ্যে পাঁচ বছর গ্রেস পিরিয়ড।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন