এ বিষয়ে এনবিআরের ভ্যাট বিভাগের সদস্য মইনুল খান প্রথম আলোকে বলেন, খরচ সাশ্রয়ী উদ্যোগ নেওয়ার কারণে সরকারি ব্যয় কমে গেছে। তারপরও নানা উদ্যোগ ও প্রচেষ্টার কারণে বেশি ভ্যাট আদায় হয়েছে। সাধারণত প্রচেষ্টানির্ভর খাতের চেয়ে সরকারি কেনাকাটা থেকেই বেশি ভ্যাট আদায় হয়। এবার ব্যতিক্রম হয়েছে।

জানা গেছে, বিভিন্ন ক্ষেত্রে আগাম ভ্যাটসহ বিভিন্ন শুল্ক-কর স্বয়ংক্রিয়ভাবে সরকারি কোষাগারে জমা হয়। সরকারি খরচ বা আমদানি পর্যায়ে এসব কর আদায় হয়। এমন ৩০টি খাত আছে। গত জুলাই-আগস্ট মাসে এমন খাত থেকে ভ্যাট এসেছে ৪ হাজার ৮৬৯ কোটি টাকা। অন্যদিকে প্রচেষ্টানির্ভর অর্থাৎ খুচরা ও পাইকারি, রড-সিমেন্ট, হোটেল-রেস্তোরাঁসহ বেসরকারি খাত থেকে ভ্যাট আদায় হয়েছে ১০ হাজার ১৬৫ কোটি টাকা।

চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে আয়কর, ভ্যাট ও শুল্ক খাতে সব মিলিয়ে ৪০ হাজার ২৭০ কোটি টাকা আদায় হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩ হাজার ৩১৯ কোটি টাকা কম। চলতি অর্থবছরে সব মিলিয়ে ৩ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে। এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, প্রথম দুই মাসে আয়কর খাতে ১০ হাজার ৩৭৩ কোটি টাকা এবং শুল্ক খাতে ১৪ হাজার ৮৬৩ কোটি টাকা আদায় হয়েছে।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন