বিষয়টি নিয়ে ক্যাব সভাপতি গোলাম রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিবৃতিটি চট্টগ্রাম কার্যালয় থেকে পাঠানো হলেও ভোক্তাস্বার্থের প্রশ্নে এ দাবির সঙ্গে আমরা একমত। কিছুদিন আগে সয়াবিন তেলে ৩ শতাংশের মতো দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এটা আসলে ভোক্তার স্বার্থের পক্ষে বড় প্রভাব রাখতে পারেনি। এখন যেহেতু বিশ্ববাজারে ভোজ্যতেলের দাম বেশ কমেছে, সেহেতু দেশের বাজারে সে অনুপাতে দাম সমন্বয় হওয়া প্রয়োজন।’

এদিকে দেড় থেকে দুই মাসের ব্যবধানে বিশ্ববাজারে সয়াবিনের দাম কমেছে ৩২ শতাংশ আর পাম তেলের দাম কমেছে ৪৮ শতাংশ। বিশ্ববাজারের এবারের ধস ২০০৮ সালকেও ছাড়িয়ে গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের কমোডিটি এক্সচেঞ্জ শিকাগো বোর্ড অব ট্রেডে মে মাসের প্রথম সপ্তাহে পরিশোধিত সয়াবিন তেলের দর উঠেছিল টনপ্রতি ১ হাজার ৯৫০ ডলার। সে সময় প্রতি ডলার ৮৬ টাকা হিসাবে লিটারপ্রতি দর দাঁড়ায় ১৫৩ টাকা। গত বৃহস্পতিবার এ দর নেমে আসে টনপ্রতি ১ হাজার ৩১৮ ডলারে। বাংলাদেশ ব্যাংক নির্ধারিত ডলারের বিনিময় মূল্যে (৯৩ টাকার ওপরে) লিটারপ্রতি দর দাঁড়ায় ১১৫ টাকার মতো।

‘বাজারে অস্থিরতা হ্রাস পাওয়ায় পাইকারি বাজারে পাম তেল সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে ১০ থেকে ১২ টাকা কমে বিক্রি করতে পারছি। আবার বোতলজাত তেলের ক্ষেত্রেও লিটারপ্রতি ৩ থেকে ৫ টাকা ছাড়ও দিচ্ছি। এতে ক্রেতাদের আস্থা ফিরছে।’
নাইম ইসলাম, কারওয়ান বাজারের রব স্টোরের বিক্রেতা

দেশের বাজারে ভোজ্যতেলের দাম কমতে শুরু করায় সরবরাহব্যবস্থায়ও শৃঙ্খলা ফিরেছে উল্লেখ করে কারওয়ান বাজারের রব স্টোরের বিক্রেতা নাইম ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘বাজারে অস্থিরতা হ্রাস পাওয়ায় পাইকারি বাজারে পাম তেল সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে ১০ থেকে ১২ টাকা কমে বিক্রি করতে পারছি। আবার বোতলজাত তেলের ক্ষেত্রেও লিটারপ্রতি ৩ থেকে ৫ টাকা ছাড়ও দিচ্ছি। এতে ক্রেতাদের আস্থা ফিরছে।’

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন