৮ বছর পর সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ৫০ ধনীর তালিকা থেকে বাদ পড়লেন আজিজ খান
আট বছর পর সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ৫০ ধনীর তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন বাংলাদেশের মুহাম্মদ আজিজ খান। ২০১৮ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত তিনি সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ধনীর তালিকায় ছিলেন।
মার্কিন সাময়িকী ফোর্বস ২০২৬ সালে সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ৫০ ধনীর যে তালিকা প্রকাশ করেছে, সেই তালিকায় এই তথ্য পাওয়া গেছে। ২০২৫ সালে আজিজ খানের অবস্থান ছিল ৪৯তম। ২০২৪ সালে ৪৩তম। ২০২৩ সালে ৪১তম। ২০২২ সালের সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ধনীর তালিকায় তাঁর অবস্থান ছিল ৪২ নম্বরে।
এই মুহূর্তে ফোর্বসের শীর্ষ বিলিয়নিয়ার বা শতকোটিপতিদের তালিকায়ও আজিজ খানের নাম নেই। ২০২৫ সালে তালিকা প্রকাশিত হওয়ার সময় আজিজ খানের অবস্থান ছিল ২৭৯০তম। সেবার ফোর্বসের হিসাবে মুহাম্মদ আজিজ খানের সম্পদের পরিমাণ ছিল ১১০ কোটি মার্কিন ডলারের। বিদ্যুৎ, বন্দর, ফাইবার অপটিকস ও আবাসন খাতে সামিট গ্রুপের ব্যবসা আছে।
ফোর্বসের তথ্যানুসারে, সিঙ্গাপুরপ্রবাসী মুহাম্মদ আজিজ খান সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান। বাংলাদেশে বিদ্যুৎ, বন্দর, ফাইবার অপটিকস, আবাসনসহ বিভিন্ন খাতে ব্যবসা রয়েছে সামিট গ্রুপের। গ্রুপটির বিদ্যুৎ খাতের প্রতিষ্ঠান সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের ২২ শতাংশ শেয়ারের মালিক জাপানের জ্বালানি কোম্পানি জেইআরএ। বাংলাদেশে বিভিন্ন অবকাঠামোর মালিকানাও আছে তাদের। আজিজ খানের মেয়ে আয়েশা সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের পরিচালনার দায়িত্বে আছেন।
ফোর্বসের সংবাদে বলা হয়েছে, ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যেও সিঙ্গাপুর স্থিতিশীলতার প্রতীক। ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে দেশটির জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৬ দশমিক ১ শতাংশ। ইলেকট্রনিকস ও প্রকৌশল খাতে উৎপাদন বাড়ায় এই প্রবৃদ্ধি হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সংক্রান্ত পণ্যের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় এসব খাতের প্রবৃদ্ধি জোরালো হয়েছে।
গত বছরের সঙ্গে তুলনা করে ফোর্বস দেখিয়েছে, এবার সিঙ্গাপুরের ৫০ শীর্ষ ধনীর মধ্যে ৩৫ জনের সম্পদ বেড়েছে। তবে প্রযুক্তি খাতসংশ্লিষ্ট কয়েকজনের সম্পদ কমে যাওয়ায় দেশটির ৫০ শীর্ষ ধনীর সম্মিলিত সম্পদের পরিমাণ ২৩৯ বিলিয়ন বা ২৩ হাজার ৯০০ কোটি ডলারে অপরিবর্তিত আছে।