ঢাকায় তিন দিনব্যাপী চামড়া ও পাদুকা মেলা শুরু

আজ রাজধানীর কুড়িলে আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় ‘১০ম বাংলাদেশ লেদার অ্যান্ড ফুটওয়্যার এক্সপো ২০২৬’ শীর্ষক এ মেলা শুরু হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে মেলার উদ্বোধন করেন বাণিজ্যসচিব মো. আতাউর রহমান খানছবি: বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সৌজন্যে

দেশি-বিদেশি ২৫০টির বেশি প্রতিষ্ঠান নিয়ে ঢাকায় তিন দিনব্যাপী চামড়া ও পাদুকা মেলা শুরু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর কুড়িলে আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় ‘১০ম বাংলাদেশ লেদার অ্যান্ড ফুটওয়্যার এক্সপো ২০২৬’ শীর্ষক এ মেলা শুরু হয়। শনিবার পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত মেলা খোলা থাকবে।

প্রধান অতিথি হিসেবে মেলার উদ্বোধন করেন বাণিজ্যসচিব মো. আতাউর রহমান খান। বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএ), লেদার ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড টেকনোলজিস্টস সোসাইটি, বাংলাদেশ (লেট’স বি) ও লিমরা ট্রেড ফেয়ারস অ্যান্ড এক্সিবিশনস প্রাইভেট লিমিটেড যৌথভাবে এ মেলার আয়োজক। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এ তথ্য জানায়।

বিটিএর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মো. সাখাওয়াত উল্লাহর সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) চেয়ারম্যান বেনজীর আহমেদ।

অনুষ্ঠানে আয়োজকেরা জানান, বড় প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি দেশে প্রায় ৫ হাজার ৫০০টি ক্ষুদ্র পাদুকা কারখানা রয়েছে। পাদুকা উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বের অষ্টম বৃহত্তম দেশ এবং ভোক্তাবাজার হিসেবে নবম। বাংলাদেশ থেকে প্রক্রিয়াজাত চামড়ার পাশাপাশি প্রতিবছর জুতা, ভ্রমণব্যাগ, বেল্ট ও মানিব্যাগ রপ্তানি হচ্ছে। চামড়ার তৈরি বিভিন্ন শৌখিন পণ্যেরও চাহিদা রয়েছে বিভিন্ন দেশে। দেশের অনেক হস্তশিল্প প্রতিষ্ঠান এসব পণ্য বিশ্ববাজারে পাঠাচ্ছে।

আরও জানানো হয়, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে তৈরি পোশাকশিল্পের পরই চামড়াশিল্পের অবস্থান। বাংলাদেশের চামড়া প্রধানত ইতালি, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, চীন, হংকং ও তাইওয়ানে রপ্তানি হয়। নতুন বাজারে প্রবেশ এবং বিদ্যমান বাজারে অবস্থান আরও শক্তিশালী করার উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে এ খাতের। দেশে প্রতিবছর আনুমানিক ২৭ কোটি বর্গফুট চামড়া উৎপাদিত হয়। এর বেশির ভাগ রপ্তানি করা হয়, বাকি অংশ দেশের চামড়াজাত পণ্য শিল্পে ব্যবহৃত হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আয়োজকেরা বলেছেন, দেশের বাজারে পাদুকার চাহিদা দ্রুত বাড়ছে এবং বিশ্বের নামকরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে পাদুকা তৈরির ক্রয়াদেশ পাচ্ছে দেশীয় কোম্পানিগুলো। ফলে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য উৎপাদনকারী অনেক প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে ব্যবসা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে।