কর্মশালায় আলোচক ছিলেন এনবিআরের সদস্য প্রদ্যুৎ কুমার সরকার ও মোহাম্মদ জাহিদ হাছান। আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম কর অঞ্চল-২-এর কর কমিশনার সামিয়া আখতার ও কর অঞ্চল-৪-এর কর কমিশনার ছাবিনা ইয়াসমিন, আইসিএবির সহসভাপতি সিদ্ধার্থ বড়ুয়া প্রমুখ।

আলোচনায় প্রদ্যুৎ কুমার সরকার বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বিভিন্ন চুক্তির কারণে এখন আমাদের বিশ্বের আধুনিক ব্যবস্থার সঙ্গে মিল রেখে চলতে হচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতায় উৎসে কর কর্তন ও রিটার্ন প্রস্তুতের জন্য গত বছরের অক্টোবরে ই-টিডিএস–ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।’

মোহাম্মদ জাহিদ হাছান বলেন, ২০২১-২২ অর্থবছরে ই-টিডিএস থেকে পাওয়া গেছে ৫৮ হাজার কোটি টাকা। এ বছর তা আরও বাড়বে। নতুন এ ব্যবস্থায় রাজস্ব আদায়ের ফলে করদাতাদের ভোগান্তি কমবে।

কর্মশালায় ই-টিডিএস পদ্ধতি ব্যবহারের খুঁটিনাটি বিভিন্ন বিষয় কোম্পানির প্রতিনিধিদের সামনে তুলে ধরা হয়।

কর্মশালায় জানানো হয়, এনবিআরের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ই-টিডিএস নিবন্ধন নেওয়া যায়। নিবন্ধন নেওয়ার পর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যালয়ে বসেই এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন ও উৎসে কর এনবিআরে জমা দিতে পারেন।

ইতিমধ্যে পাঁচ হাজার প্রতিষ্ঠান নিবন্ধন নিয়েছে। নতুন এ পদ্ধতিটির ব্যবহার যত বাড়বে কাগজপত্রের ব্যবহার তত কমে আসবে। নথিপত্র নিয়ে করদাতাদের আর কর কার্যালয়ে দৌড়াতে হবে না।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন