সংকট সমাধানে চারটি দাবি জানান হেলাল উদ্দিন। সেগুলো হচ্ছে—লোডশেডিং সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা, দুপুর ১২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত বিপণিবিতান ও দোকান খোলা রাখার অনুমতি দেওয়া, সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত অফিস সময় করা ও সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখা।

দোকানমালিক সমিতির নেতারা বলছেন, এসব দাবি মানা হলে যানজট কমবে ও জ্বালানি তেলের সাশ্রয় হবে। পাশাপাশি মানুষের কর্মঘণ্টাও বাড়বে। তাঁরা আরও বলেন, করোনার প্রভাব ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বর্তমানে দ্রব্যমূল্য লাগামহীন। এ অবস্থায় রাত আটটায় দোকান বন্ধের কারণে ব্যবসায়ীরা চরম অর্থসংকটে পড়েছেন।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারি সিদ্ধান্ত অনুসারে ২০ জুলাই থেকে রাত ৮টার পর দোকান, বিপণিবিতান ও কাঁচাবাজার বন্ধ রাখা হচ্ছে। এতে কাজের কাজ কিছু হচ্ছে না বলে দাবি করে হেলাল উদ্দিন বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ক্ষুদ্র ও অতি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পথে বসার উপক্রম হয়েছে।

এই ব্যবসায়ী নেতা বলেন, প্রকৃতপক্ষে দেশে বিদ্যুতের সংকট নেই, সংকট জ্বালানিতে। অথচ আমদানি করা জ্বালানির মাত্র ১০ শতাংশ ব্যবহার করা হয় বিদ্যুৎ উৎপাদনে। বাকি ৯০ শতাংশ ব্যবহার করা হয় পরিবহন ও কৃষি খাতে। মাত্র ১০ শতাংশ জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য সমালোচকদের সমালোচনা করার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। লোডশেডিং বন্ধ করে ডিজেল, এলএনজির দাম সমন্বয় করলে মানুষ সাশ্রয়ী হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন