অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যেভাবে চেয়েছিলাম, সেভাবে আইএমএফের ঋণ পেতে যাচ্ছি। অনেকের অনুমান ছিল, আমরা আইএমএফের ঋণ পাব না কিংবা তারা কঠিন শর্ত দেবে। তেমন কিছুই হয়নি। তবে তারা শর্ত দিয়েছে। রাজস্ব আয় বৃদ্ধির জন্য আইএমএফের কিছু পরামর্শ আছে। আমরাও সেভাবে কাজ করছি।’

অর্থমন্ত্রী জানান, আইএমএফ তিন মাসের মধ্যে এই ঋণের আনুষ্ঠানিকতা চূড়ান্ত করবে। সাত কিস্তিতে এই ঋণ দেবে তারা। প্রথম কিস্তির ঋণ মিলবে আগামী ফেব্রুয়ারিতে। আর সর্বশেষ কিস্তির ঋণ পাওয়া যাবে ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে। আইএমএফের ঋণের সুদহার হবে বাজারদর অনুযায়ী। তাতে গড় সুদহার হবে ২ দশমিক ২ শতাংশ।