এই মূল্য হ্রাসের আওতায় যাঁরা পড়েছেন, তাঁরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই হ্রাসকৃত মূল্যে জ্বালানি পাবেন। সরবরাহকারীরা হ্রাসকৃত মূল্যে এসব সরবরাহ করবেন। সরকার তাঁদের ক্ষতি পুষিয়ে দেবেন। চলতি বছরের ১ এপ্রিল থেকে যাঁরা জ্বালানি ক্রয়ের চুক্তি করেছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হবে। আগামী ১ অক্টোবর থেকে ২০২৩ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত তা প্রযোজ্য হবে।

যুক্তরাজ্যের বাণিজ্যমন্ত্রী জ্যাকব রিস মগ বলেছেন, এ সহায়তা প্যাকেজের জন্য সরকারের বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয় হবে। তবে এর যথাযথ হিসাব তিনি দিতে পারেননি। কারণ, বিষয়টি নির্ভর করবে জ্বালানির পাইকারি মূল্যের ওপর।

তবে আসন্ন শীতকালে এ প্যাকেজ যুক্তরাজ্যের মানুষকে ভরসা দেবে বলে মনে করেন জ্যাকব রিগ। তবে কোভিডের শুরু থেকে যুক্তরাজ্য যেভাবে নাগরিকদের সুবিধা দিয়ে আসছে এবং সম্প্রতি জ্বালানির উচ্চমূল্যের প্রভাব ঠেকাতে তারা যেভাবে ভর্তুকি দিচ্ছে, তাতে দেশটির ঋণ আগস্টে রেকর্ড উচ্চতায় উঠেছে বলে জানা গেছে।

যুক্তরাজ্যের বেশ কিছু ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান অবশ্য সরকারের কাছ থেকে আরও বেশি সহায়তা চায়। তাদের মতে, মানুষ যদি দোকানে, পাবে বা ক্লাবে যেতে না পারে, তাহলে লাভ নেই। বরং তারা চায়, সরকার ভ্যাট হ্রাস করুক। এতে ব্যবসায়ের নগদ প্রবাহ বৃদ্ধি পাবে।

অ্যাংরি প্যারট ক্লাবের পরিচালক পল কুক দ্য গার্ডিয়ানকে বলেন, ‘গত এক মাসে আমাদের ব্যবসা ৪০ শতাংশের মতো কমেছে।’ তাঁদের আশা, এ প্রকল্পের বদৌলতে অনেক কিছু গতি পাবে।

এ ছাড়া আরেকটি চিন্তার কারণ হলো, এই ভর্তুকির মেয়াদ ছয় মাস, এরপর কী হবে, তা বলা মুশকিল। ফলে একধরনের অনিশ্চয়তা থেকেই যায়।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন