চলতি মৌসুমের জন্য অনলাইন রিটার্ন জমার সুবিধা চালু করা হয় ২৫ আগস্ট। প্রথম তিন মাসেই অনলাইনে রিটার্ন জমা এক লাখ ছাড়াল। আর সব মিলিয়ে এ সময়ে অনলাইনে রিটার্ন জমা ও অন্যান্য সেবার জন্য আড়াই লাখ ব্যক্তি নিবন্ধন করেছেন।
এ বিষয়ে অনলাইন ব্যবস্থা চালুর সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত একজন শীর্ষ কর কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, ‘প্রথম তিন মাসে আমরা বেশ ভালো সাড়া পেয়েছি। আশা করছি, চলতি বছর পাঁচ লাখের বেশি করদাতা অনলাইনে রিটার্ন দেবেন।’

উল্লেখ্য, প্রতিবছর ১ জুলাই থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত রিটার্ন দেওয়া যায়। সশরীর ও অনলাইনে—দুইভাবে রিটার্ন জমার সুযোগ আছে। গতবার সব মিলিয়ে প্রায় ৭২ হাজার করদাতা অনলাইনে রিটার্ন জমা দিয়েছিলেন।

৫১ কোটি টাকা ব্যয় করে ২০১৬ সালে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। চার বছর চালু থাকার পর ২০১৯ সাল পর্যন্ত তা চলে। সেই চার বছর প্রতিবছর ৫–৬ হাজার করদাতা বার্ষিক রিটার্ন জমা দিতেন। ২০১৯ সালের পর আর কেউ অনলাইনে রিটার্ন দিতে পারেননি। এ প্রকল্পের ঠিকাদার ভিয়েতনামের প্রতিষ্ঠানও কাজ না বুঝিয়ে দিয়ে চলে গেছে। পরে ২০২০ সালের নভেম্বরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আয়কর বিভাগের বিশেষ দল মাত্র দুই কোটি টাকা খরচ করে নতুন অনলাইন ব্যবস্থা চালু করেছে।

অনলাইনে রিটার্ন জমা, কর পরিশোধ, রিটার্ন প্রস্তুত, নিবন্ধন নেওয়াসহ যাবতীয় কাজ করা যায়। এমনকি রিটার্ন জমার প্রাপ্তিস্বীকারপত্রও পাওয়া যায়। অনলাইনে রিটার্ন দিতে হলে প্রথমে এনবিআরের ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করতে হয়।