স্বপ্ননিবাস: সাধ্যের মধ্যে স্বপ্নপূরণের সুযোগ
প্রকৃতি ও প্রযুক্তির মাঝে নগরজীবনের যাবতীয় সুযোগ-সুবিধাসংবলিত প্রাকৃতিক ও দূষণমুক্ত এলাকায় বসবাস করার ইচ্ছা প্রায় সবারই। কিন্তু অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার কারণে সাধ ও সাধ্যের মধ্যে যখন সমন্বয়হীনতা, তখন স্বল্প আয়ের বিচক্ষণ মানুষের চাওয়াকে পাওয়াতে পরিণত করতে প্রস্তাবিত ১৭০ ফুট ওয়েস্টার্ন বাইপাস সড়কের সঙ্গেই গড়ে উঠছে সাধ্যের মধ্যে স্বপ্নের প্রকল্প ‘স্বপ্ননিবাস’।
প্রকল্পটি ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুর থেকে মাত্র কয়েক মিনিটের পথ। প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা একেবারেই উঁচু জায়গায় অবস্থিত প্রকল্পটি এখনই বাড়ি করার উপযুক্ত। এ ছাড়া রয়েছে বর্তমানে পাঁচটি সরকারি সড়কের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ, যা প্রকল্পের যোগাযোগব্যবস্থাকে করবে আরও সহজ ও গতিময়। প্রকল্পে সব নাগরিক সুযোগ–সুবিধাসম্পন্ন আড়াই, তিন ও পাঁচ কাঠার প্লট ছাড়াও রয়েছে বাণিজ্যিক প্লট।
‘স্বপ্ননিবাস অ্যাসেটস্ লিমিটেড’ ISO 9001: 2015 সার্টিফাইড প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া বাংলাদেশ ল্যান্ড ডেভেলপারস অ্যাসোসিয়েশন এবং ঢাকা চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সদস্য। শুধু তা–ই নয়, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) কর্তৃক নিবন্ধনকৃত হওয়ায় গ্রাহকদের প্রতারিত হওয়ার আশঙ্কা নেই বললেই চলে।
প্রকল্পের একটি সোসাইটির প্রতিটি প্লটই প্রকৃত অর্থে কর্ণার প্লট। এ ছাড়া অন্য একটি সোসাইটির প্রতিটি প্লটের পেছনে থাকছে ৯ ফুট গ্রিন স্পেস একদম ফ্রি। ফলে ফ্লোর এরিয়া রেশিও (FAR)-এর নীতিমালা অনুযায়ী বাড়ি করার সময় জায়গা ছাড়তে হবে তুলনামূলক কম।
শিক্ষিত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে প্রকল্প কর্তৃপক্ষ উদ্যোগ নিয়েছে ‘কালচার সোসাইটি’ গড়ার। যেখানে থাকছে কিন্ডারগার্টেন, স্কুল–কলেজ, মাদ্রাসাসহ মনোরম পরিবেশে একটি গ্রন্থাগার।
‘স্বপ্ননিবাস’ প্রকল্পটির সন্নিকটেই নির্মিত হতে যাচ্ছে অত্যাধুনিক নয়নাভিরাম লেকসহ শেখ রাসেল পার্ক, প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক আরবি ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় এবং আকিজ ফাউন্ডেশন অ্যান্ড কলেজ। প্রকল্পের কাছাকাছি বাসস্ট্যান্ড থাকায় ঢাকার যেকোনো স্থানে যাতায়াতের সহজ ব্যবস্থা বিদ্যমান। এ ছাড়া রাজউক কর্তৃক প্রস্তাবিত কেরানীগঞ্জ মডেল টাউন তৈরি হচ্ছে ‘স্বপ্ননিবাস’ প্রকল্পের কাছেই। সব মিলিয়ে প্রকল্পটিতে থাকছে সাধ্যের মধ্যে স্বপ্নপূরণের সুযোগ।
বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন www.shopnonibashbd.com অথবা ফোন করুন ০১৩২৪-৭১৭৩২০ নম্বরে।