কমিশন সূত্রে জানা যায়, গতকালের শুনানি গ্রহণ করেন কমিশনের চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলাম, সদস্য জি এম সালেহ উদ্দিন, এ এফ এম মনজুর কাদির ও নাসরিন বেগম।

এদিকে, গতকালের শুনানিতে অংশ নিয়ে বসুন্ধরা গ্রুপের আইনজীবী মামুন চৌধুরী বলেন, বসুন্ধরা ফুড অ্যান্ড বেভারেজ আলাদা প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানের জন্য পুরো গ্রুপকে দায়ী করা ঠিক হবে না। তিনি আরও বলেন, বাজারে বসুন্ধরা ব্র্যান্ডের আটা–ময়দা থাকলেও কোনো চাল বিক্রি করে না প্রতিষ্ঠানটি। জবাবে কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, বসুন্ধরার নামে বাজারে চালের প্যাকেট পাওয়া গেছে। যদি সেটির সঙ্গে বসুন্ধরার কোনো সম্পর্ক না থাকে, তাহলে ভুয়া প্রতিষ্ঠানটাকে খুঁজে বের করে কমিশনকে জানাতে বলা হয়েছে। এ সময় বসুন্ধরার আটা-ময়দার আয়-ব্যয়ের তথ্য ও ব্যবসাসংক্রান্ত হিসাব জমা দিতে বলেছে কমিশন।

শুনানিতে অংশ নিয়ে স্কয়ার গ্রুপের পক্ষে নিযুক্ত আইনজীবী মোহাম্মদ আলী ইমরান বলেন, মিনিকেট নয়, চাষি ব্র্যান্ডের সুগন্ধি চাল বিক্রি করে স্কয়ার। বাজারে তাদের অংশীদারত্ব খুবই নগণ্য। এ ছাড়া টয়লেট্রিজ পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির জন্য কাঁচামালের ঊর্ধ্বগতিকে দায়ী করেন এ আইনজীবী। এ সময় কমিশন চাষি ব্র্যান্ডের চালের তথ্য ও নমুনা কমিশনে দিতে বলে।

প্রথম দিনের শুনানিতে অংশ নিয়ে ডায়মন্ড এগ ও নারিশ পোলট্রির আইনজীবীরা যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের পর সময় চেয়ে আবেদন করে। কমিশন তাদের পরবর্তী শুনানিতে পণ্যের আয়-ব্যয়ের বিস্তারিত তথ্য নিয়ে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেয়।

এর আগে গত মঙ্গলবার রশিদ অ্যাগ্রো ফুড, বেলকন গ্রুপ, সিটি গ্রুপ, বাংলাদেশ এডিবল ওয়েল, প্যারাগন পোলট্রি, ইউনিলিভার বাংলাদেশ ও ডিম ব্যবসায়ী আড়তদার বহুমুখী সমবায় সমিতির সভাপতি মো. আমানত উল্লাহ শুনানিতে অংশ নেন। আর সোমবার শুনানিতে অংশ নেন কাজী ফার্মস গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী জাহেদুল হাসান।

প্রতিযোগিতা কমিশনের ইস্কাটন গার্ডেন এলাকার কার্যালয়ে এ শুনানি চলছে।