বিজ্ঞাপন

ডিএসই ও বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, গত পরশু নিয়ন্ত্রক সংস্থার পক্ষ থেকে ৩০ প্রতিষ্ঠানের একটি তালিকা ডিএসইতে পাঠানো হয়। নতুন ট্রেক ইস্যুর বিষয়ে ডিএসই গত মার্চে আগ্রহীদের কাছ থেকে আবেদন চেয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। তাতে আবেদনের শেষ সময় ছিল ২৮ মার্চ। এ সময়ের মধ্যে ৬৬টি প্রতিষ্ঠান আবেদন জমা দেয়। এর মধ্যে ১৫টি প্রতিষ্ঠানের আবেদন প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ঘাটতি ও আইনি শর্ত পূরণ না করায় প্রাথমিক বাছাইয়ে বাদ দেওয়া হয়। বাকি ৫১টি প্রতিষ্ঠানের তালিকা বিএসইসিতে পাঠানো হয়েছিল।

বিএসইসি যাচাই–বাছাই করে সেই তালিকা থেকে ৩০টির বিষয়ে সবুজ সংকেত দিয়েছে ডিএসইকে। এর মধ্যে রয়েছে সাকিবের মালিকানাধীন মোনার্ক হোল্ডিংস। ডিএসইতে প্রতিষ্ঠানটি ট্রেকের যে আবেদন জমা দিয়েছে, সেখানে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান হিসেবে রয়েছেন সাকিব আল হাসান। আর ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা এমডি হিসেবে রয়েছেন কাজী সাদিয়া হাসান। পরিচালক হিসেবে আছেন জাভেদ এ মতিন ও আবুল কালাম মাতবর।

ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান বর্তমানে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির বিনিয়োগ শিক্ষা কার্যক্রমের শুভেচ্ছাদূত। শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ শিক্ষা কার্যক্রমের অন্যতম প্রচারদূত তিনি। এরই মধ্যে বিএসইসির হয়ে তিনি বেশ কিছু বিনিয়োগকারী সচেতনতা কার্যক্রম অংশ নিয়েছেন।

ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান বর্তমানে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির বিনিয়োগ শিক্ষা কার্যক্রমের শুভেচ্ছাদূত। শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ শিক্ষা কার্যক্রমের অন্যতম প্রচারদূত তিনি। এরই মধ্যে বিএসইসির হয়ে তিনি বেশ কিছু বিনিয়োগকারী সচেতনতা কার্যক্রম অংশ নিয়েছেন। বিজ্ঞাপনেও অংশ নিয়েছেন। বিভিন্ন টেলিভিশন ও ইউটিউবে প্রচারিত ওই বিজ্ঞাপনে সাকিব একজন ব্যবসায়ী হিসেবে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীর ভূমিকায় অভিনয় করেন। যিনি না জেনে না বুঝে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করে লোকসান করেন। তাই তিনি ওই বিজ্ঞাপনে বিনিয়োগকারীদের না জেনে না বুঝে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ না করার পরামর্শ দেন।

এখন সেই বিনিয়োগকারীদের লেনদেনের জন্য প্রতিষ্ঠান খুলে শেয়ারবাজারের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পথে রয়েছে সাকিব আল হাসান। সাকিবের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে, গত পরশু তাঁর প্রতিষ্ঠান মোনার্ক হোল্ডিংসকে নতুন ট্রেক হোল্ডার হিসেবে সনদ দেওয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এখন ডিএসইর কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও নিরাপত্তা জামানত বা সিকিউরিটি মানি জমা দিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য প্রতিষ্ঠানটিকে আবেদন করতে হবে। বিএসইসির চূড়ান্ত অনুমোদনের পর প্রতিষ্ঠানটি শেয়ার ব্যবসার কার্যক্রম শুরু করতে পারবে।

জানতে চাইলে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিএসইসির পক্ষ থেকে ডিএসইর কাছে নতুন ট্রেকের জন্য নামের তালিকা পাঠানোর বিষয়টি আমার জানা নেই। এটি ডিএসইর সিদ্ধান্তের বিষয়। ডিএসই সিদ্ধান্ত নিয়ে যেসব প্রতিষ্ঠানের তালিকা আমাদের অনুমোদনের জন্য পাঠাবে, যাচাই-বাছাইয়ের পর সেগুলোকে শেয়ারবাজারে ব্রোকার ও ডিলার হিসেবে লেনদেনের সনদ দেওয়া হবে। এরপরই সনদধারী প্রতিষ্ঠানগুলো কার্যক্রম শুরু করতে পারবে।’

শেয়ারবাজার থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন