বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

উদ্যোক্তাদের এমন অভিযোগের উত্তরে বিএসইসির চেয়ারম্যান বলেন, ‘আইপিওর জন্য কী কী ধরনের কাগজপত্র লাগে, তার একটি চেকলিস্ট আছে। তারপরও দেখা যায় অনেক কোম্পানির আইপিও আবেদনে সব কাগজপত্র থাকে না। আবার আর্থিক যে হিসাব দেওয়া হয়, সেখানেও নানা ধরনের সমস্যা থাকে। তখন নতুন করে কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে এসব বিষয়ে তথ্য–উপাত্ত সংগ্রহ বা বাখ্যা তলব করতে হয়। এতে অনেক সময় লেগে যায়। কিন্তু কোম্পানিগুলো যদি একবারে সব কাগজপত্র ও আর্থিক হিসাব সঠিকভাবে দেয়, তাহলে আমরা দুই সপ্তাহের মধ্যে আইপিও অনুমোদন দিয়ে দেব।’

শেয়ারবাজারে ভালো কোম্পানির সরবরাহ বাড়াতে শিল্পোদ্যোক্তাদের আগ্রহী করে তুলতেই মূলত এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় আবদুল মোনেম লিমিটেড, র‌্যাংগ্‌স গ্রুপ, উত্তরা গ্রুপ, কৃষিবিদ গ্রুপ, এ কে খান গ্রুপ, আকিজ গ্রুপ, ড্যাফোডিল ফ্যামিলিসহ বিভিন্ন শিল্পগোষ্ঠীর মালিক ও শীর্ষ কর্মকর্তারা অংশ নেন।

ডিএসইর সভাপতি ইউনুসুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন বিএসইসির কমিশনার শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ, পোশাকশিল্প–মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি আবদুস সালাম মুর্শেদীসহ বেশ কয়েকজন শিল্পোদ্যোক্তা।

অনুষ্ঠানে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হলে কোম্পানিগুলো কী কী ধরনের সুবিধা পায় এবং কোম্পানি কতভাবে লাভবান হতে পারে এ–সংক্রান্ত উপস্থাপন দেন ডিএসইর প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা সাইফুর রহমান মজুমদার।

শেয়ারবাজার থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন