এ বিষয়ে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, ‘আমরা প্রাথমিক অনুসন্ধানে জেনেছি, বন্ধ বিও হিসাব থেকে প্রায় সাড়ে ১২ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করা হয়েছে। যেসব কোম্পানির শেয়ার বিক্রি করা হয়েছে, সেগুলো শেয়ারবাজারে সূচকের উত্থান-পতনে বড় ভূমিকা রাখে। কীভাবে বন্ধ বিও থেকে শেয়ার বিক্রি করা হলো, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের কাছ থেকে ব্যাখ্যা ও তথ্যপ্রমাণ চাওয়া হয়েছে। তথ্যপ্রমাণ পাওয়ার পর এ বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বিএসইসি সূত্র বলছে, যে বিও হিসাবটি নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে, সেটি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাব। এই বিও হিসাবে রক্ষিত শেয়ারের কাস্টডিয়ান বা হেফাজতকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে রয়েছে বহুজাতিক ব্যাংক এইচএসবিসি। তাই এইচএসবিসির কাছেও এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।

জানতে চাইলে ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আহসানুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি এ ধরনের কোনো চিঠি হাতে পাইনি।’

এদিকে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স এদিন ৭৪ পয়েন্ট বা ১ শতাংশের বেশি কমে নেমে এসেছে ৬ হাজার ৫৯২ পয়েন্টে। লেনদেন হওয়া অধিকাংশ শেয়ারেরই দরপতন হয়েছে এদিন।

শেয়ারবাজার থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন