বিজ্ঞাপন
গত প্রায় দেড় বছরের ব্যবধানে ডিএসইএক্স সূচকটি এক বছরে প্রায় ২৮০০ পয়েন্ট বা ৭৭ শতাংশ বেড়েছে। একসময়ের ব্যবধানে বাজার মূলধন বেড়েছে প্রায় আড়াই লাখ কোটি টাকা।

ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স সোমবার প্রায় ৪০ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৪০৫ পয়েন্টে। আর বাছাই করা ভালো মৌলভিত্তির ৩০ কোম্পানির সমন্বয়ে গঠিত ডিএস–৩০ সূচকটি ১৬ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৩২২ পয়েন্টে। তাতেই এ দুই সূচক নতুন উচ্চতায় উঠেছে। ২০১৩ সালের ২৭ জানুয়ারি এ দুটি সূচক চালু হয়েছিল। চালু হওয়ার প্রায় সাড়ে আট বছর পর এসে সোমবার সূচক দুটি সর্বোচ্চ উচ্চতায় উঠেছে।

এ ছাড়া ডিএসইর বাজার মূলধন সোমবার এক দিনেই ২ হাজার ৮৭৪ কোটি টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৩৫ হাজার ১৮৫ কোটি টাকায়। এটিই ঢাকার বাজারের এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ বাজার মূলধন।

ডিএসইর বাজার মূলধন সোমবার এক দিনেই ২ হাজার ৮৭৪ কোটি টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৩৫ হাজার ১৮৫ কোটি টাকায়। এটিই ঢাকার বাজারের এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ বাজার মূলধন।

ডিএসইর দুটি সূচক ও বাজার মূলধন রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছে যাওয়ায় এখন সূচক দুটি সামান্য বাড়লেই প্রতিদিনই রেকর্ড হবে। আর বড় মূলধনিসহ বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়লে রেকর্ড উচ্চতায় উঠবে বাজার মূলধন।

ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালের নভেম্বরে ঢাকার বাজারে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স একবার সর্বোচ্চ ৬ হাজার ৩৩৭ পয়েন্টের রেকর্ড উচ্চতায় উঠেছিল। সেখান থেকে কমতে কমতে ২০২০ সালের মার্চে করোনার জন্য সাধারণ ছুটি ঘোষণার আগে সূচকটি সর্বনিম্ন ৩ হাজার ৬০০ পয়েন্টে নেমে গিয়েছিল। এ অবস্থায় পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নেতৃত্বে বদল আসে। বিএসইসিতে নতুন নেতৃত্ব দায়িত্ব নেওয়ার পর গত বছরের জুলাই থেকে বাজার ঊর্ধ্বমুখী ধারায় ফিরে আসে।

বিএসইসিতে নতুন নেতৃত্ব দায়িত্ব নেওয়ার পর গত বছরের জুলাই থেকে বাজার ঊর্ধ্বমুখী ধারায় ফিরে আসে।

গত প্রায় দেড় বছরের ব্যবধানে ডিএসইএক্স সূচকটি এক বছরে প্রায় ২৮০০ পয়েন্ট বা ৭৭ শতাংশ বেড়েছে। একসময়ের ব্যবধানে বাজার মূলধন বেড়েছে প্রায় আড়াই লাখ কোটি টাকা। ডিএসইর বাজার মূলধনে বড় ধরনের উত্থান হয়েছে টেলিকম কোম্পানি রবি আজিয়াটা যুক্ত হওয়ার পর।

শেয়ারবাজার থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন