জানা গেছে, দেড় বছর আগে ২০২১ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ স্থগিত করে প্রশাসক বসায় বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)। এরপর প্রশাসক বদল হয় তিনবার। প্রথম প্রশাসক ছিলেন আইডিআরএর সাবেক সদস্য সুলতান উল আবেদীন মোল্লা, দ্বিতীয় প্রশাসক সাবেক যুগ্ম সচিব রফিকুল ইসলাম ও বর্তমান প্রশাসক কুদ্দুস খান। এর মধ্যে কুদ্দুস খানের নিয়োগ অবৈধ ঘোষণা করেছেন আদালত।

এ অবস্থায় স্থগিত পর্ষদের পরিচালক জেয়াদ রহমান গত ২০ জুলাই অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে প্রশাসক প্রত্যাহারের দাবি জানান। পুনর্গঠিত পরিচালনা পর্ষদের মাধ্যমে যাতে কোম্পানিটি পরিচালনা করা যায়, সে ব্যাপারে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শেখ মোহাম্মদ সলীম উল্লাহর সহযোগিতাও চান তিনি। পাশাপাশি কোম্পানিটির পর্ষদ নতুন করে গঠনের উদ্যোগও নেওয়া হয়। নতুন করে বড় কয়েকজন শিল্পপতি ও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন বলে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। এ সংবাদের জেরে শেয়ারবাজারে কোম্পানিটির শেয়ারের দামেও প্রভাব পড়তে শুরু করে।

বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, নানা জটিলতায় ২০১৮ সালের পর থেকে কোম্পানিটি শেয়ারধারীদের লভ্যাংশ দিতে পারেনি। নতুন পর্ষদ দায়িত্ব নিলে কয়েক বছরের বকেয়া লভ্যাংশ ঘোষণা করা হতে পারে, এমন প্রত্যাশা থেকে বিনিয়োগকারীরা কোম্পানিটির শেয়ারের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছেন।

শেয়ারবাজার থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন