এরপর গত বছরের এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে ধাপে ধাপে ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়া হয়। এরপর সূচকটি বেড়ে গত বছরের ১০ অক্টোবর ৭ হাজার ৩৬৮ পয়েন্টের সর্বোচ্চ সীমায় উঠেছিল। কিন্তু গত ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে রাশিয়া হামলা শুরু করার পর শেয়ারবাজারে আবারও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করে। সাম্প্রতিক সময়ে বিশেষ করে গত ঈদুল আজহার ছুটির পর একটানা দরপতন চলছে বাজারে।

এ অবস্থায় আজ বৃহস্পতিবার ডিএসইর প্রধান সূচকটি ৫৭ পয়েন্ট বা প্রায় ১ শতাংশ কমে ৬ হাজার পয়েন্টের মাইলফলক বা মনস্তাত্ত্বিক সীমা নিচে নেমে আসে। আর তাতেই পতন ঠেকাতে নতুন করে আবারও শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের দামের সর্বনিম্ন সীমা বা ফ্লোর প্রাইস বেঁধে দিয়েছে বিএসইসি। সংস্থাটি জানিয়েছে, করোনা–পরবর্তী ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শেয়ারবাজার থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন