লেনদেন শুরুর পর বুধ ও বৃহস্পতিবার এ দুই দিন কোম্পানিটির প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওর শেয়ারের হাতবদল হয় সেকেন্ডারি বাজারে। এ দুই দিনে ডিএসইতে কোম্পানিটির ৪ কোটি ৪৫ লাখ ৬২ হাজারের বেশি শেয়ারের হাতবদল হয়েছে। লেনদেন শুরুর প্রথম দিনেই গত বুধবার কোম্পানিটির শেয়ার ১০ টাকা অভিহিত মূল্য বা ফেসভ্যালুর নিচে নেমে যায়। ওই দিন সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ দাম কমে ব্যাংকটির শেয়ারের হাতবদল হয় ৯ টাকায়। লেনদেনের দ্বিতীয় দিন বৃহস্পতিবারও এটির শেয়ার ৯ টাকায় হাতবদল হয়েছে ডিএসইতে।

আইপিওতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ার কিনেছেন ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে। গত দুই দিন শেয়ারবাজারে কোম্পানিটির যেসব শেয়ারের হাতবদল হয়েছে, তার সবই আইপিওতে পাওয়া শেয়ার। কারণ, সেকেন্ডারি বাজারে হাতবদল হওয়া শেয়ারের লেনদেন নিষ্পত্তিতে দুই কার্যদিবস সময় লাগে। সেই হিসাবে গত বুধবার লেনদেন শুরুর প্রথম দিনে ব্যাংকটির যেসব শেয়ারের হাতবদল হয়েছিল, সেসব শেয়ার আজ রোববার থেকে বিক্রয়যোগ্য হবে।

যেহেতু গত বুধ ও বৃহস্পতিবার শুধু আইপিও শেয়ারের হাতবদল হয়েছে, সেহেতু বলা যায়, যাঁরা এ দুই দিনে শেয়ার বিক্রি করেছেন, তাঁরা প্রত্যেকে শেয়ারপ্রতি ১ টাকা করে লোকসান গুনেছেন। যেহেতু এ দুই দিনে ডিএসইতে প্রায় সাড়ে ৪ কোটি শেয়ারের হাতবদল হয়, তাই ব্যাংকটির শেয়ারের লোকসানের পরিমাণও দাঁড়ায় সাড়ে ৪ কোটি টাকা।

আইপিওতে ব্যাংকটি ১০ টাকা মূল্যের ৪২ কোটি ৫০ লাখ শেয়ার ইস্যু করে পুঁজিবাজার থেকে ৪২৫ কোটি উত্তোলন করে। উত্তোলিত অর্থ এসএমই, সরকারি সিকিউরিটিজ ও পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ এবং প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের পেছনে খরচ করবে ব্যাংকটি।