কোম্পানিটির আর্থিক প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, গত জুলাই-ডিসেম্বরে কোম্পানিটির বিক্রয় বাবদ খরচ বেড়ে দ্বিগুণ হয়ে গেছে। এতে আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে বেশি আয় করেও লোকসান গুনতে হয়েছে কোম্পানিটিকে। গত বছরের শেষ ছয় মাসে, অর্থাৎ ২০২২ সালের জুলাই-ডিসেম্বরে দেশের অর্থনীতির টানাপোড়েনের মধ্যেও কোম্পানিটি ১৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকার ব্যবসা করেছে। ২০২১ সালের একই সময়ে হোটেলটি ১৪ কোটি ৮৮ লাখ টাকার ব্যবসা করেছিল। সেই হিসাবে ২০২১ সালের তুলনায় ২০২২ সালের শেষ ছয় মাসে হোটেলটি সাড়ে চার কোটি টাকার বেশি ব্যবসা করেছে। তারপরও সব খরচ বাদ দেওয়ার পর হোটেলটি প্রায় তিন কোটি টাকা লোকসান করেছে। এতে হোটেলটির শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএসও ঋণাত্মক হয়ে গেছে।

আর্থিক প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, গত জুলাই-ডিসেম্বরে কোম্পানিটির বিক্রয় বাবদ খরচ প্রায় দ্বিগুণ বেড়ে হয়েছে ১৩ কোটি টাকার বেশি। ২০২১ সালের একই সময়ে এ খরচ ছিল সাত কোটি টাকা। মূলত বিক্রয় বাবদ খরচ দ্বিগুণ বেড়ে যাওয়ায় কোম্পানিটির মুনাফায় টান পড়েছে।

গত ডিসেম্বর শেষে পেনিনসুলা হোটেলের ইপিএস দাঁড়িয়েছে ২৫ পয়সা ঋণাত্মক। অর্থাৎ কোম্পানিটি উল্লিখিত ছয় মাসে শেয়ারপ্রতি ২৫ পয়সা লোকসান করেছে। অথচ ২০২১ সালের একই সময়ে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি ৬৪ পয়সা লাভ করেছিল।

এদিকে গত ছয় মাসে লোকসান করায় আজ সোমবার শেয়ারবাজারে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারের লেনদেনও কম হয়েছে। দিন শেষে মাত্র ২০ হাজার ১৯৬টি শেয়ারের হাতবদল হয়েছে। অথচ গত রোববার কোম্পানিটির ৭৭ হাজারের বেশি শেয়ারের হাতবদল হয়েছিল ঢাকার বাজারে। ডিএসইতে আজ কোম্পানিটির লেনদেন হয়েছে সর্বনিম্ন মূল্যস্তর বা ফ্লোর প্রাইসে। বর্তমানে এটির শেয়ারের ফ্লোর প্রাইস ২৭ টাকা ৪০ পয়সা।