বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, টানা দরপতনের কারণে প্রাতিষ্ঠানিক ও বড় বিনিয়োগকারীদের পাশাপাশি সাধারণ বিনিয়োগকারীরাও আতঙ্কিত হয়ে শেয়ার বিক্রি করে বাজার থেকে বেরিয়ে যান। তাতে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমে ৬ হাজার পয়েন্টের মনস্তাত্ত্বিক সীমার নিচে নেমে যায়। আর তখনই পতন ঠেকাতে ফ্লোর প্রাইস বসানো হয়। এরপর প্রাতিষ্ঠানিক ও বড় বিনিয়োগকারীদের পাশাপাশি সাধারণ বিনিয়োগকারীরাও বাজারে ফিরতে শুরু করেছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে শীর্ষস্থানীয় একটি বেসরকারি ব্যাংকের সহযোগী ব্রোকারেজ হাউসের প্রধান বলেন, ‘গতকাল আমাদের প্রতিষ্ঠানের নিষ্ক্রিয় অনেক বিনিয়োগকারী নতুন করে শেয়ার কিনে সক্রিয় হয়েছেন। যাঁদেরই বিও (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স) হিসাবে টাকা ছিল, তাঁদের অনেকে কমবেশি শেয়ার কিনেছেন। তবে এক দিনেই সব টাকা বিনিয়োগ করেননি।’

বাজারে যে বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বেড়েছে, তার প্রমাণ মেলে লেনদেন হওয়ার শেয়ারসংখ্যার পরিসংখ্যান থেকেও। এক দিনের ব্যবধানে ডিএসইতে হাতবদল হওয়া শেয়ারের সংখ্যা চার কোটি বেড়েছে।

শেয়ারবাজার থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন