ঢাকার বাজারে আজ এতটাই ভয়াবহ দরপতন ঘটেছে যে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাত্র ১২টির দাম বেড়েছে। আর দাম কমেছে ৩৫৮টির বা ৯৪ শতাংশের। আর অপরিবর্তিত ছিল ১২টির দাম। বড় ধরনের দরপতনের কারণে এদিন ঢাকার বাজারে লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর বেশির ভাগই ক্রেতাশূণ্য হয়ে পড়ে। আতঙ্কিত বিনিয়োগকারীদের অনেকে শেয়ার বিক্রি করতে গিয়েও ক্রেতা না থাকায় বিক্রি করতে পারেননি।

বাজারসংশ্লিষ্ট বলছেন, বেশ কিছুদিন ধরে বাজারে মন্দাভাব চলছে। বিশেষ করে ঈদের ছুটির পর থেকে প্রতিদিনই একটু একটু করে সূচক কমছিল। তারই ধারাবাহিকতায় আজ বড় ধরনের দরপতন হয়েছে। কয়েক দিনের টানা দরপতনে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থার সংকট তৈরি হওয়ায় বড় ধরনের এ দরপতন হয়েছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ব্রোকারেজ হাউসের শীর্ষ নির্বাহী প্রথম আলোকে বলেন, মূল্যস্ফীতি, ডলারসংকট, জ্বালানিসংকটসহ নানা কারণে অর্থনীতিতে এক ধরনের অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। যার কমবেশি প্রভাব শেয়ারবাজারের কোম্পানিগুলোর ওপর পড়ছে। জ্বালানিসংকট মোকাবিলায় ডিজেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন আপাতত স্থগিতের সিদ্ধান্তও নিয়েছে সরকার। এমন পরিস্থিতিতে শেয়ারবাজারে তার প্রভাব দেখা যাচ্ছে। কারণ, যেকোনো অর্থনৈতিক সংকটের তাৎক্ষণিক প্রভাব পড়ে শেয়ারবাজারে।

সিংহভাগ কোম্পানির দরপতনের পাশাপাশি আজ লেনদেনও কমেছে বাজারে। ডিএসইতে এদিন লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৫১৫ কোটি টাকা, যা গতকালের চেয়ে ৭৮ কোটি টাকা কম।

শেয়ারবাজার থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন