সামাজিক স্বীকৃতি পেয়েছি

আল–আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক ২০১৫ সালের জুন মাসে দিকে এজেন্ট ব্যাংকিং সেবার আওতায় এজেন্ট নিয়োগ দেওয়া শুরু করে। তখন কেউ এজেন্ট হতে চাইছিল না। তারপরও আমি দুটি শাখা দিয়ে সাহস করে শুরু করি। প্রথম তিন মাস ৪০-৫০ জন আত্মীয়স্বজন নিয়ে গ্রামে গ্রামে ক্যাম্পেইন করেছি। এরপর কসবা-আখাউড়া এলাকায় আমার পরিবার আরও আটটি শাখা চালু করেছে। সব মিলিয়ে ১০টি শাখায় এখন ৪০ হাজারের মতো ব্যাংক হিসাব আছে। এই হিসাবগুলোর মাধ্যমে ১০০ কোটি টাকার ওপরে আমানত সংগ্রহ হয়েছে। দিনে ৫ কোটি টাকার বেশি লেনদেন হয়। এখন মাসে ৫ লাখ টাকার বেশি মুনাফা আসছে। এ কাজের মাধ্যমে সামাজিক স্বীকৃতি পেয়েছি। বড় পাওয়া—এলাকার কিছু মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ। আমি সব সময় চেষ্টা করি ব্যাংকের যেসব সুযোগ-সুবিধা আছে, তা আমার অর্ধশত কর্মীদের জন্য নিশ্চিত করতে। 

বিনিয়োগের পরিমাণ কমানো দরকার

আড়াই বছরের মতো হলো আমি সিটি ব্যাংকের এজেন্ট হিসেবে কাজ করছি। যে বাজারে আমাদের শাখা, সে বাজারটি বেশ বড়। বাজারটিতে প্রায় ৪০টি গ্রামের মানুষ আসে। তাই এখন পর্যন্ত দুই হাজারের বেশি হিসাব খুলতে পেরেছি, যা আমাদের কাজকে বেশ সহজ করে দিয়েছে। এসব হিসাবের মাধ্যমে আমানত এসেছে চার কোটি টাকার বেশি। এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের বাইরে আমরা সিটি আলোর সেবাও প্রদান করছি। আমার এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটে ১৫ জনের মতো মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। তবে আমাদের বিনিয়োগের বড় একটি অংশ চলে যায় নিরাপত্তা জামানত হিসেবে। তারপর অফিস নেওয়া থেকে শুরু করে নগদ টাকা মিলিয়ে বিনিয়োগ লাগে আরও ৩০ লাখের মতো। তাই বিনিয়োগের পরিমাণ কমানো দরকার। তাহলে ব্যবসা শুরু করা সম্ভব। বিনিয়োগ বাড়লে, আয় বাড়ে। বর্তমানে যে পরিস্থিতি, তাতে আশা করা যায়, সামনে আরও ভালো কিছু হবে।