দ্য গার্ডিয়ানের সংবাদে বলা হয়েছে, দেশটির যে নাগরিকেরা সাধারণ বাণিজ্যিক ভাড়া বাড়িতে থাকেন, যেখানে বিদ্যুতের মানসম্পন্ন মিটার আছে, তাঁরা শিগগিরই জ্বালানি ভর্তুকির দ্বিতীয় কিস্তিতে ৬৬ পাউন্ড করে পাবেন। কিন্তু যে মানুষেরা কেন্দ্রীয় লাইন থেকে সরাসরি বিদ্যুৎ পান, তাঁরা কবে ভর্তুকির অর্থ পাবেন বা আদৌ পাবেন কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তার সৃষ্টি হয়েছে।

তবে যুক্তরাজ্য সরকার বলেছে, এই মানুষেরা কীভাবে ভর্তুকির অর্থ পাবেন, সেই সিদ্ধান্ত কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই নেওয়া হবে।

বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক অর্থমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকার সময় এই জ্বালানি বিল সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা করে যুক্তরাজ্য সরকার। এই প্রকল্পের আওতায় যুক্তরাজ্যের সব মানুষ মোট ৪০০ পাউন্ড করে পাবেন, ২০২২ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৩ সালের মার্চ মাস—৬ মাসে এই অর্থ দেওয়া হবে, প্রতি মাসে ৬৬ পাউন্ড।

যেসব বাড়িতে প্রতি ভোক্তার জন্য পৃথক মিটার নেই, অর্থাৎ সাধারণ মিটারের আওতায় চলে যেসব বাড়িঘর, সেসব বাড়ির বাসিন্দারা এই ভাউচার পাচ্ছেন না। কারণ, এসব বাড়ির মালিক বা ব্যবস্থাপনা এজেন্টরা মোট বিল বাসিন্দাদের মধ্যে ভাগ করে দেন। দ্য গার্ডিয়ানের তথ্যানুসারে, দেশটির প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার পরিবার এমন বাড়িতে বসবাস করে এবং তাদের ভাউচার পেতে সমস্যা হচ্ছে।

যুক্তরাজ্যের ডেভনের এমন এক অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্সের মালিক সম্প্রতি দ্য গার্ডিয়ানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সু এলিস নামেরন সেই ব্যক্তি বলেন, এসব ফ্ল্যাটের অধিকাংশ অবকাশযাপনে ভাড়া হয়, ফলে বাসিন্দাদের ভর্তুকি পাওয়ার কথা নয়। কিন্তু এসব ফ্ল্যাটে অনেকেই স্থায়ীভাবে থাকেন। অনেক বৃদ্ধ ও অসুস্থ মানুষ এসব ফ্ল্যাটে থাকেন।

এ বিষয়ে সরকারের এক মুখপাত্র দ্য গার্ডিয়ানকে বলেন, ‘আমরা জানি, দেশের মানুষ খুব খারাপ অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। যাঁরা যৌথ লাইনের আওতায় আছেন, তাঁরা ভর্তুকির অর্থ পাচ্ছেন না। তাঁরা শিগগিরই জ্বালানি বিল রিলিফ স্কিমের আওতায় এই ভর্তুকির অর্থ পাবেন।’