default-image

ওই ফরমের শূন্যস্থান পূরণের জন্য আপনার কাছে কিছু মৌলিক তথ্য চাওয়া হবে। যেমন নাম, ঠিকানা, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, বয়স ইত্যাদি। মনে রাখবেন, ঘরে বসে ই-টিআইএন পেতে চাইলে জাতীয় পরিচয়পত্র লাগবেই। কারণ, জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবেই যাচাই-বাছাই করা হয়। অনলাইনে ই-টিআইএনের ওই ফরমটি পূরণ করে সাবমিট করলে কয়েক মিনিটের মধ্যে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার ই-মেইলে ১৩ সংখ্যার ই-টিআইএন পাঠিয়ে দেওয়া হবে। এভাবে সহজে ঘরে বসেই পেয়ে যাবেন ই-টিআইএন।

এখন প্রশ্ন হলো, যার জাতীয় পরিচয়পত্র নেই কিংবা বিদেশি নাগরিকেরা কীভাবে ই-টিআইএন নেবেন? তাঁরা নিজ নিজ পাসপোর্ট ও এর কপি নিয়ে নির্দিষ্ট কর কার্যালয়ে গিয়ে আবেদন করতে পারবেন। তারপর কর কর্মকর্তারা সনাতন পদ্ধতিতে যাচাই-বাছাই করে ই-টিআইএন ইস্যু করে থাকেন। এ ছাড়া অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ই-টিআইএন নিতে অভিভাবকের টিআইএন, করদাতার ছবি ইত্যাদি লাগে।

এখন আর আগের মতো সনাতন পদ্ধতিতে টিআইএন দেওয়া হয় না। রিটার্ন দিতে হলে ১২ সংখ্যার ই-টিআইএন দিতে হয়। বর্তমানে প্রায় ৪২ লাখ ই-টিআইএনধারী আছেন। অবশ্য তাঁদের সবাই বার্ষিক আয়কর বিবরণী জমা দেন না।

ই-টিআইএন হলো আয়কর নিবন্ধনের আধুনিক সংস্করণ। একজন করদাতাকে আয়কর নিবন্ধন নম্বরের মাধ্যমে করদাতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়। নিবন্ধিত করদাতা বছর শেষে রিটার্ন জমা দেওয়ার মাধ্যমে বার্ষিক আয়-ব্যয় ও সঞ্চয় বর্ণনা করেন।

প্রতিবছর ২২-২৩ লাখ টিআইএনধারী রিটার্ন জমা দেন। তবে এ বছর থেকে কিছু শর্তে ছাড় দিয়ে প্রায় সব টিআইএনধারীর রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

ই-টিআইএন হলো আয়কর নিবন্ধনের আধুনিক সংস্করণ। একজন করদাতাকে আয়কর নিবন্ধন নম্বরের মাধ্যমে করদাতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়। নিবন্ধিত করদাতা বছর শেষে রিটার্ন জমা দেওয়ার মাধ্যমে বার্ষিক আয়-ব্যয় ও সঞ্চয় বর্ণনা করেন।

এ ছাড়া কিছু কাজ করতে গেলে টিআইএন লাগে। যেমন জমি কিনতে গেলে টিআইএন লাগে। আবার বিদ্যুৎ-সংযোগ নিতেও টিআইএন লাগবে। কিংবা আপনি গাড়ি কিনেছেন, টিআইএন ছাড়া গাড়ির নিবন্ধন নিতে পারবেন না। এমনকি আপনি ব্যাংকে এফডিআর করেছেন, টিআইএনের কপি ওই ব্যাংকে জমা দিলে এফডিআরের সুদের ওপর ৫ শতাংশ কম আয়কর কাটবে। সুদের ওপর ১৫ শতাংশের পরিবর্তে ১০ শতাংশ উৎসে কর করা হবে।

আপনার টাকা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন