বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

৫. কোম্পানি আইন, ১৯৯৪ (১৯৯৪ সালের ১৮ নম্বর আইন) আওতায় নিবন্ধিত কোনো ক্লাবের সদস্য পদের জন্য আবেদনপত্র দাখিল;
৬. সাধারণ বিমার সার্ভেয়ার লাইসেন্স ইস্যু বা নবায়ন, কিংবা সার্ভেয়ার হিসেবে তালিকাভুক্তি;
৭. কোনো নিবাসী কর্তৃক সিটি করপোরেশন বা জেলা সদরের পৌরসভা এলাকার এক লাখ টাকার অধিক দলিল মূল্যের জমি, দালান বা অ্যাপার্টমেন্ট ক্রয় বা বিক্রয়, বায়নানামা সম্পাদন বা পাওয়ার অব অ্যাটর্নি প্রদান/গ্রহণসংক্রান্ত দলিলের নিবন্ধনপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে ক্রেতা এবং বিক্রেতা উভয়ের টিআইএন বাধ্যতামূলক;
৮. ভাড়ায় চালিত বাস, ট্রাক, প্রাইম মুভার, লরি ইত্যাদির রেজিস্ট্রেশন, মালিকানা হস্তান্তর বা ফিটনেস নবায়ন গ্রহণ;
৯. পাঁচ লাখ টাকার অধিক ঋণের জন্য কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে আবেদন;
১০. ক্রেডিট কার্ড গ্রহণ;

১১. চিকিৎসক, দন্তচিকিৎসক, আইনজীবী, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট, কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট, প্রকৌশলী, স্থপতি অথবা সার্ভেয়ার হিসেবে বা অনুরূপ পেশাজীবী হিসেবে কোনো পেশাজীবী সংগঠনের সদস্যপদ গ্রহণ;
১২. কোনো কোম্পানির পরিচালক বা স্পনসর শেয়ারহোল্ডার হওয়া বা থাকা;
১৩. মুসলিম বিবাহ ও তালাক (রেজিস্ট্রিকৃত) আইন ১৯৭৪–এর বিধান অনুসারে বিবাহ নিবন্ধনকারী (নিকাহ রেজিস্ট্রার) হিসেবে লাইসেন্স গ্রহণ বা বহাল রাখা;
১৪. কোনো ব্যবসায়িক বা পেশাজীবী সংগঠনের সদস্যপদ গ্রহণ বা বহাল রাখা;
১৫. দালান/ভবন নির্মাণের নকশা অনুমোদনের জন্য রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ), খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কেডিএ) ও রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (আরডিএ) যেকোনো পৌরসভায় এবং সিটি করপোরেশনের ভবন নির্মাণে নকশা অনুমোদনের জন্য আবেদন;

১৬. ড্রাগ লাইসেন্স গ্রহণ বা বহাল রাখা;
১৭. বাণিজ্যিক গ্যাস সংযোগ গ্রহণ বা বহাল রাখা;
১৮. সিটি করপোরেশন, পৌরসভা বা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকায় কোনো আবাসিক এবং বাণিজ্যিক বৈদ্যুতিক সংযোগ গ্রহণ এবং বিল পরিশোধের ক্ষেত্রে রাখা;
১৯. কোনো মোটরযানের রেজিস্ট্রেশন, মালিকানা হস্তান্তর বা ফিটনেস নবায়ন;
২০. ভাড়ায় চালিত লঞ্চ, স্টিমার, মাছ ধরার ট্রলার, কার্গো, কোস্টার, ডাম্পবার্জ ইত্যাদির নৌযানের সার্ভে সনদ গ্রহণ বা বহাল রাখা;
২১. কোনো বিমা কোম্পানির এজেন্সি সনদ রেজিস্ট্রেশন বা নবায়ন;
২২. জেলা প্রশাসকের কার্যালয় বা ক্ষেত্রমতে, পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে ইট উৎপাদনের জন্য অনুমতিপত্র সংগ্রহ বা নবায়ন;
২৩. উপজেলা, পৌরসভা, সিটি করপোরেশন বা জাতীয় সংসদ বা জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া;

২৪. সিটি করপোরেশন, জেলা সদর বা পৌরসভা এলাকায় অবস্থিত আন্তর্জাতিক শিক্ষাক্রম/কারিকুলাম অনুযায়ী পাঠদানরত কোনো ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে সন্তান বা নির্ভরশীলকে ভর্তি করানো;
২৫. সরকার অথবা সরকারের কোনো কর্তৃপক্ষ, করপোরেশন, স্বত্বা বা ইউনিটের বা প্রচলিত কোনো আইন, আদেশ বা দলিলের মাধ্যমে গঠিত কোনো কর্তৃপক্ষ, করপোরেশন, স্বত্বা বা ইউনিটের কর্মচারী হিসেবে সংশ্লিষ্ট আয় বছরের যেকোনো সময় ১৬ হাজার টাকা বা তার অধিক মূল বেতন উত্তোলন;
২৬. মাসিক বেতন–ভাতাদির (এমপিও) আওতায় সরকার থেকে মাসিক ১৬ হাজার টাকার বেশি গ্রহণ;
২৭. এমপ্লয়ি হিসেবে ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনিক পদে বা উৎপাদনের সুপারভাইজরি পদে কাজ করা (তাঁর বেতন-ভাতাদি যা-ই হোক না কেন) ;
২৮. কোম্পানির এজেন্সি বা ডিস্ট্রিবিউটরশিপ (যে নামেই অভিহিত হোক) গ্রহণ বা বহাল রাখা;
২৯. মোবাইল ব্যাংকিং বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর/হস্তান্তর অথবা মোবাইল ফোন রিচার্জসংশ্লিষ্ট সেবার বিপরীতে কমিশন, ফি বা অন্য কোনো অর্থপ্রাপ্তি;

৩০. কোনো নিবাসী কর্তৃক উপদেষ্টা/কনসালট্যান্সি, ক্যাটারিং, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট, জনবল সরবরাহ বা সেবা প্রদানের বিপরীতে কোনো কোম্পানি থেকে অর্থপ্রাপ্তি; এবং
৩১. আমদানি বা রপ্তানির জন্য বিল অব এন্ট্রি বা বিল এক্সপোর্ট দাখিল।
৩২. মোটরযান, স্থান, আবাসন বা অন্য কোনো সম্পদের মাধ্যমে কোনো অংশভাগী অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করতে হলে;
৩৩. এনজিও অ্যাফেয়ার্স ব্যুরোতে নিবন্ধিত এনজিও বা মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি থেকে লাইসেন্সপ্রাপ্ত মাইক্রোক্রেডিট প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিদেশি দান বা অনুদান ছাড়করণের ক্ষেত্রে।
৩৪. লাইসেন্সধারী অস্ত্রের মালিককে অনুমোদন দাঁড়করণের ক্ষেত্রে।
৩৫. দুই লাখ টাকার ঊর্ধ্বে সঞ্চয়পত্র ক্রয়ে।
৩৬. দুই লাখ টাকার ঊর্ধ্বে সঞ্চয়পত্র খুলতে।
৩৭. সমবায় সমিতি রেজিস্ট্রেশনে।

টিআইএন–এর সুবিধা না থাকলে যেসব ক্ষেত্রে বেশি আয়কর দিতে হবে

১. ঠিকাদার বা সরবরাহকারীর বিল পরিশোধের সময় ৫০ শতাংশ বেশি উৎসে আয়কর কেটে রাখবে।
২. কতিপয় সেবা পরিশোধের ক্ষেত্রে যেমন পরামর্শ ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট, ইভেন্ট কমিশন ইত্যাদিসহ বেশ কিছু সার্ভিস।
৩. সঞ্চয়ী আমানত এবং স্থায়ী আমানতের/শেয়ার ডিভিডেন্ড সুদপ্রাপ্তিতে টিআইএন থাকলে ১০ শতাংশ টিআইএন না থাকলে ১৫ শতাংশ হারে কেটে রাখে। এ রকম বেশ কিছু ক্ষেত্রে টিআইএন না থাকলে বেশি আয়কর দিতে হয় এবং উক্ত আয়কর সমন্বয় করা যায় না।

লেখক: মো. জাহাঙ্গীর আলম, আয়কর আইনজীবী, নির্বাহী পরিচালক, গোল্ডেন বাংলাদেশ

আপনার টাকা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন