প্রায় ৭৪০টি কোম্পানির প্রতিনিধিত্ব করে ইউকে হসপিটালিটি। গার্ডিয়ানের বরাত দিয়ে সংস্থাটি জানায়, রেস্তোরাঁগুলোর মোট ব্যয়ের প্রায় ১৮ শতাংশ উচ্চ মূল্যস্ফীতির সঙ্গে যুক্ত। অর্থাৎ ভোক্তারা জনপ্রিয় খাবারগুলো বেশি দাম দিয়ে কিনছেন।

সড়কের ধারের রেস্তোরাঁগুলোর মেনু মূল্য পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে, ২০২০ সালের অক্টোবর থেকে নান্দোস চিকেন রেস্তোরাঁয় অর্ধেক মুরগির দাম ৬ দশমিক ৭৫ পাউন্ড থেকে ৮ দশমিক ৫০ পাউন্ড (২৬ শতাংশ বৃদ্ধি), ১০টি মুরগির ডানা ৯ দশমিক ৬০ পাউন্ডের পরিবর্তে ১১ দশমিক ৭৫ পাউন্ড (২২ শতাংশ বৃদ্ধি) এবং একটি চকলেট কেক ডেজার্টের দাম ৪ দশমিক ১৫ থেকে ৪ দশমিক ৭৫ পাউন্ড (১৪ শতাংশ বৃদ্ধি) বেড়েছে।

কেন্দ্রীয় লন্ডনের ইতালিয়ান রেস্তোরাঁ জিজিতে একই সময়ের মধ্যে একটি স্প্যাগেটি চোরিজো কার্বোনারা খাবারের দাম ১১ দশমিক ৭০ পাউন্ড থেকে বেড়ে হয়েছে ১৪ দশমিক ২৫ পাউন্ড। অর্থাৎ আগের তুলনায় দাম ২২ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। একটি চিকেন ও প্রসিউটো সালাদ ১২ দশমিক ২৫ পাউন্ড থেকে বেড়ে হয়েছে ১৪ দশমিক ৫০ পাউন্ড (১৮ শতাংশ বৃদ্ধি) এবং মিষ্টি আলু ভাজার (পটেটো ফ্রাই) দাম ৩ দশমিক ৯০ থেকে বেড়ে হয়েছে ৪ দশমিক ২৫ পাউন্ড, মূল্যবৃদ্ধি ৯ শতাংশ।

একই সময়ের মধ্যে প্রায় ২৫টি বড় গ্রিক রেস্তোরাঁ চেইনে হলউমি ফ্রাইয়ের দাম ৫ দশমিক ৯৫ থেকে ৬ দশমিক ৯৫ পাউন্ড হয়েছে, প্রায় ১৭ শতাংশ বেশি।

চলতি বছরের শুরুতে উশিমা কফি কোম্পানির বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২১ সালের আগস্ট ও ২০২২ সালের জুলাইয়ের মধ্যে জনপ্রিয় সব কফির দাম বেড়েছে ২২ শতাংশ। একটি ছোট স্টারবাকস এসপ্রেসোর দাম ১ দশমিক ৮০ পাউন্ড থেকে বেড়ে হয়েছে ২ দশমিক ২০ শতাংশ (২২ শতাংশ বৃদ্ধি)। প্রিট আ ম্যাঞ্জার মিডিয়াম ক্যাপুচিনোর দাম ২ দশমিক ৭৫ থেকে বেড়ে হয়েছে ৩ দশমিক শূন্য ৫ পাউন্ড (বৃদ্ধির হার ১১ শতাংশ)।

গত জুলাই মাসে জনপ্রিয় ফুড চেইন কোম্পানি ম্যাকডোনাল্ডস ঘোষণা করে, তারা চিজ বার্গারের দাম ৯৯ পেনি থেকে বাড়িয়ে ১ দশমিক ১৯ পাউন্ড করেছে, বৃদ্ধির হার ২০ শতাংশ। কোম্পানির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ১৪ বছরের মধ্যে এই প্রথম দাম বাড়ানো হয়েছে।