এদিকে বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক সংকোচন হয়েছে। আর যেভাবে ভোক্তাদের আত্মবিশ্বাস কমছে, আবাসন বাজারে স্থবিরতা নেমে এসেছে, বেকার ভাতার দাবি বাড়ছে ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম সংকুচিত হচ্ছে, তাতে বছরের তৃতীয় প্রান্তিকেও অর্থনীতির সংকোচন হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। অনেক দেশেই পরপর দুই প্রান্তিকে অর্থনীতির সংকোচন হলে তাকে মন্দা বলা হয়, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের মন্দার সংজ্ঞা ভিন্ন।

এক সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েল স্বীকার করেন, সে দেশের অর্থনীতির কিছু খাতে স্থবিরতা নেমে এসেছে। কিন্তু তিনি আরও বলেন, ফেড নানা ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও আগামী কয়েক মাসে নীতি সুদহার বৃদ্ধি করবে। কারণ, আর কিছু নয়, ৪০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি।

জেরোম পাওয়েল আরও বলেন, ‘মূল্যের স্থিতিশীলতা ছাড়া অর্থনীতিতে কোনো কিছুই ঠিকঠাক কাজ করে না। মূল্যস্ফীতি আমাদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে হবে...বিষয়টি আমরা এড়িয়ে যেতে পারি না।’

বিশ্লেষকেরা ধারণা করছেন, চলতি বছরের মধ্যে ফেড নীতি সুদহার বৃদ্ধি করে ৩ থেকে ৪ শতাংশে উন্নীত করবে। তবে বৃদ্ধির হার কমে আসবে, এমন আশায় যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক বাজারে চাঙা ভাব এসেছে।

তবে যুক্তরাষ্ট্র মন্দা বা দুরবস্থা এড়াতে পারে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। কারণ হিসেবে তাঁরা বলছেন, সেখানে প্রতি মাসেই প্রত্যাশাতীত কর্মসংস্থান হচ্ছে। তবে ভোক্তা ব্যয় থমকে গেছে—অর্থনীতির ৭০ শতাংশই এই খাত। সে কারণে প্রবৃদ্ধি থমকে গেছে।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন