গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছর রাজধানী ঢাকায় বার্ষিক গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ১১ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ। তবে ঢাকায় খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতির চেয়ে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতির পরিমাণ অনেক বেশি ছিল। এ সময়ে সর্বোচ্চ ১২ দশমিক ৩২ শতাংশ মূল্যস্ফীতি ছিল খাদ্যবহির্ভূত খাতে। আর খাদ্যপণ্যে এটি ছিল ১০ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ।

অনুষ্ঠানে গোলাম রহমান বলেন, বিভিন্ন হিসাবে দেখা যায়, দেশে মাথাপিছু আয় বেড়েছে। তবে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত মানুষের তুলনায় উচ্চবিত্তের আয় অনেক বেশি হয়েছে। এখনো দেশে চার কোটি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করছে। দিন দিন এ আয়বৈষম্য বাড়ছে। এ রকম পরিস্থিতিতে মূল্যস্ফীতি সাধারণ মানুষের জন্য কাল হয়ে এসেছে।

আয়বৈষম্য কমিয়ে আনতে সাধারণ মানুষের আয় বাড়াতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান গোলাম রহমান। তিনি বলেন, দেশে কোনো পণ্যের দাম একবার বাড়লে তা দ্রুত কমবে, এটা আশা করা যায় না। এ জন্য সাধারণ মানুষের আয় বাড়ানোর ওপর জোর দিতে হবে। কর্মসংস্থান বাড়াতে হবে। তা না হলে সংকট আরও ঘনীভূত হবে।  

২০২২ সালটা সাধারণ মানুষের জন্য একদমই স্বস্তির ছিল না জানিয়ে গোলাম রহমান বলেন, মূল্যস্ফীতির কারণে মানুষের মধ্যে একটা নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে, এটা অস্বীকারের উপায় নেই। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকারও অনেক পদক্ষেপ নিয়েছে। এ কারণে যতটা খারাপ পরিস্থিতি হতে পারত, সেটা হয়নি।  

সংবাদ সম্মেলনে ক্যাবের সহসভাপতি এস এম নাজের হোসাইনসহ সংগঠনটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।