টাউন হল বাজারের সবজি বিক্রেতা জাকির হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘বাজারে নতুন সবজি এলে দাম একটু বাড়তি থাকে। তবে এবার শীতের সবজির সরবরাহ ভালো। দাম বেশি দিন বাড়তি থাকবে না।’

এই দুই বাজারে করলা ৬০-৭০ টাকা, পটোল ৫০-৬০ টাকা এবং ঢ্যাঁড়স ও বরবটি বিক্রি হচ্ছে ৫০-৭০ টাকা কেজি। এদিকে বাজারে শীতের সবজির মধ্যে তুলনামূলক কম দামে মিলছে মুলা। মানভেদে প্রতি কেজি মুলার দাম ৩০-৪০ টাকা। পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ২৫-৩০ টাকায়।

বাজারে শীতের পালংশাক, মুলাশাক, লালশাক প্রতিটি বড় আঁটির দাম রাখা হচ্ছে ২০-৩০ টাকা। পুঁইশাক, ডাঁটাশাক ও লাউশাক মিলছে প্রতি আঁটি ৩০ টাকার মধ্যে। বাজারে ক্যাপসিকাম, ব্রকলি ও রেড ক্যাভেজের মতো সবজিও এসেছে। তবে এসব সবজি সাধারণের নাগালের বাইরে।

বাংলাদেশ কাঁচামাল আড়ত মালিক সমিতির সভাপতি মো. ইমরান মাস্টার প্রথম আলোকে বলেন, আবহাওয়া ভালো থাকায় সবজির ফলন ভালো হয়েছে। এ জন্য সরবরাহ ভালো। তবে নতুন সবজি বাজারে এলে খুচরা ব্যবসায়ীরা একটু বাড়তি দামে বিক্রি করতে চান।

এদিকে বাজারে কমতে শুরু করেছে ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দাম। খুচরায় প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৫০-১৬০ টাকায়। মুরগির ডিমের ডজন পড়ছে ১২৫-১৩০ টাকা। বাজারে নতুন পেঁয়াজ আসতে শুরু করায় পেঁয়াজের দাম কমছে। রসুনের দামও কমতির দিকে।

মোহাম্মদপুর নূরজাহান রোডের বাসিন্দা নুরুল হাসান প্রথম আলোকে বলেন, বাজারে সবজিসহ সবকিছুর দাম বেশি। তবে শীতের সবজি খেতে ভালো। কিন্তু দাম বেশি হওয়ায় কম কিনতে হচ্ছে।