পাঠাও বলছে, নতুন মডেলে একজন ব্যবহারকারী অ্যাপের নির্দেশিত ভাড়ায় যাত্রার অনুরোধ পাঠাতে পারবেন। আবার নিজেদের পছন্দমতো ভাড়া ঠিক করতে পারবেন। এরপর একবারেই একাধিক চালকের কাছে সেই অনুরোধ চলে যাবে। যদি ব্যবহারকারী একাধিক চালককে পান, তখন তিনি ভাড়া, গাড়ির মডেল, চালকের রেটিং ও আনুমানিক সময়ের ভিত্তিতে পছন্দমতো চালক বেছে নিতে পারবেন। অথবা নিজের মতো পাল্টা ভাড়ার অনুরোধ জানাতে পারবেন।

ঠিক একইভাবে একজন ড্রাইভারও একাধিক অনুরোধ থেকে নিজের পছন্দমতো কাউকে বেছে নিতে পারবেন; অথবা পাল্টা ভাড়ার জন্য অনুরোধ করতে পারবেন।

এতে চালকেরা সময়ের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবেন। তাঁদের আয় বাড়বে। সেই সঙ্গে ব্যবহারকারীরা পছন্দমতো ভাড়া নির্ধারণের মাধ্যমে দ্রুত যাত্রা শুরু করতে পারবেন। এতে উভয়েই লাভবান হবেন।

পাঠাওয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফাহিম আহমেদ বলেন, ‘ব্যবহারকারী ও চালকের হাতে নিয়ন্ত্রণ তুলে দিতে পেরে আমরা আনন্দিত। আমরা বিশ্বাস করি, প্রযুক্তি হওয়া উচিত সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য, এখনই সময় পরিবর্তনের।’

২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত পাঠাও বাংলাদেশের ডিজিটাল অবকাঠামো তৈরির মাধ্যমে নতুন সুযোগ সৃষ্টি, সাধারণ মানুষের ক্ষমতায়ন ও জীবনমানের উন্নয়নে কাজ করছে। পাঠাও বাংলাদেশের অন্যতম শরিকি যাত্রা, খাদ্য সরবরাহ ও ই-কমার্স লজিস্টিকস সেবা খাতের প্রতিষ্ঠান।