default-image

অবশ্য প্রতিবেদনে যেসব ব্র্যান্ডের নাম উঠে এসেছে তাদের অনেকগুলোই বন উজাড়ে ভূমিকা রাখছে—এমন সরবরাহ শৃঙ্খল থেকে নিজেদের মুক্ত করার নীতি ঘোষণা করেছে সম্প্রতি।

প্রতিবেদনের অন্যতম গবেষক গ্রেগ হিগস বলেছেন, ‘সমীক্ষায় পাওয়া এক-তৃতীয়াংশ কোম্পানির একরকম নীতি আছে। এতে আশা করা যায় যে বন উজাড় বন্ধের ওপর প্রভাব পড়বে। তবে দেখা যাচ্ছে বন উজাড়ের হার বাড়ছে, তাই নীতিগুলোর কোনো বস্তুগত প্রভাব নেই।’

গত ২০১৯-২০ সালে দাবানল থেকে আমাজন বনকে রক্ষা করার ক্ষেত্রে ব্রাজিলের ভূমিকা বিশ্বনেতাদের সমালোচনার মুখে পড়ে। গবেষণায় দেখা গেছে, গবাদিপশু শিল্প আমাজন বন উজাড়ে অন্যতম ভূমিকা রাখছে। এই শিল্প ফ্যাশন শিল্পের চামড়া সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

গবেষণার দেখা গেছে, ভোক্তাদের মানিব্যাগ, হ্যান্ডব্যাগ ও জুতা সরবরাহ অব্যাহত রাখতে, ফ্যাশন শিল্পকে ২০২৫ সালের মধ্যে বার্ষিক ৪৩ কোটি গরু জবাই করতে হবে। তাদের বিশ্লেষণ বলছে, আমাজন বন উজাড়ে প্রতিটি ফ্যাশন ব্র্যান্ডের সরাসরি যোগসূত্র আছে এমন প্রমাণ করে না, তবে পরোক্ষ ভূমিকা রয়েছে।

বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ৮৪টি কোম্পানির মধ্যে ২৩টিরই বন উজাড়ের বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট নীতি আছে। তবে তারা তাদের নিজস্ব নীতিই লঙ্ঘন করছে। উদাহরণস্বরূপ ফ্যাশন হাউস লুই ভুঁইতোর কথা তুলে ধরা হয়। আমাজন বন উজাড় করে এমন কোম্পানির সঙ্গে তার সংযোগ উচ্চ ঝুঁকির সৃষ্টি করছে। অথচ সম্প্রতি ব্র্যান্ডটি ইউনেসকোর সঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল রক্ষার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

বিশ্ববাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন