বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গণমাধ্যম সিএনবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত সপ্তাহেই কেবল শেয়ার মূল্য থেকে ইলনের সম্পদের পরিমাণ বেড়েছে ১ হাজার ৬০ কোটি ডলার। গত মাসেই বেজোসকে পেছনে ফেলে ধনীর তালিকায় শীর্ষে উঠে আসেন ইলন।

যা–ই হোক, বেজোসের সঙ্গে সম্পদের ব্যবধান বাড়িয়ে বেশ খুশি ইলন। তাই বেজোসকে ট্রল করার লোভও সামলাতে পারেননি তিনি। গত রোববার বেজোসের উদ্দেশে এক টুইটে তাঁকে দ্বিতীয় স্থানের পদক দিয়েছেন ইলন।

অবশ্য শুরুটা করেছিলেন বেজোস। রোববার রাতে প্রথমে আমাজন বিরোধীদের নিয়ে একটি টুইট করেন বেজোস। তিনি লেখেন, ‘শুনুন এবং খোলাখুলি বলুন, তবে কাউকে বলতে দেবেন না যে আপনি কে। আমাদের ব্যর্থ হওয়ার পথে এমন অনেক গল্প রয়েছে। আজ, আমাজন বিশ্বের অন্যতম সফল কোম্পানি এবং দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন শিল্পে বিপ্লব ঘটিয়েছে।’

টুইটের সঙ্গে ১৯৯৯ সালে ব্যারনস ম্যাগাজিনে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের ছবিও জুড়ে দেন। যেখানে বেজোসকে ‘আরেকজন মধ্যস্বত্বভোগী’ বলে অভিহিত করা হয়। এর কিছুক্ষণ পর ইলন একটি রৌপ্যপদকের ইমোজি দিয়ে টুইট করে লেখেন, ‘বেজোস বিশ্বের দ্বিতীয় ধনী ব্যক্তির পদমর্যাদা অর্জন করলেন’। গত মাসে যখন মাস্ক বেজোসকে ছাড়িয়ে যান, তখন তিনি মার্কিন সাময়িকী ফোর্বসকে একটি ছোট ই–মেইল করে রসিকতা করে বলেছিলেন যে তিনি ‘রৌপ্যপদকসহ জেফরি বি কে-২’ লিখে একটি বিশাল মূর্তি পাঠাচ্ছেন বেজোসকে। অবশ্য শেষ পর্যন্ত তিনি আর তা পাঠাননি। তবে এবার টুইটে মজা করতে ছাড়লেন না ইলন।

এর আগেও বেজোসকে খোঁচা দিয়ে মজা করেন ইলন মাস্ক। দুবার বিড়ালের ইমোজি ব্যবহার করে বেজোসকে ‘কপিক্যাট’ বলেছিলেন তিনি। আমাজন যখন স্পেসএক্সের স্টারলিংকের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে ইন্টারনেট–স্যাটেলাইট ব্যবসায় প্রবেশ করেছিল, তখন এ কথা বলেছিলেন। আবার আমাজন যখন সেলফ ড্রাইভিং গাড়ি কোম্পানি জুক্স নিয়ে নেয়, তখনো বলেছিলেন।

এ দুই ধনকুবেরের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা তীব্র হয়েছে অবশ্য চলতি বছরেই। সম্প্রতি বেজোসের ব্লু অরিজিন মার্কিন সরকারের বিরুদ্ধে স্পেসএক্সের সঙ্গে নাসার ২৯০ কোটি ডলারের চুক্তি নিয়ে একটি মামলা করে। এতে দুই ধনকুবেরের সম্পর্কের তিক্ততা বেড়েছে।

বিশ্ববাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন