বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তোশিবার জ্বালানি ও অবকাঠামো বিভাগকে একটি কোম্পানিতে রাখা হবে। ডিভাইস ও স্টোরেজ ব্যবসা হবে আরেকটি কোম্পানির মেরুদণ্ড। তৃতীয় কোম্পানিটি ফ্ল্যাশ-মেমোরি চিপ কোম্পানি কিওক্সিয়া হোল্ডিংস ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে থাকা তোশিবার ৪০ দশমিক ৬ শতাংশ অংশীদারত্ব পরিচালনা করবে। ২০২৩ সালের মধ্যে এ বিভক্তিকরণ সম্পন্ন হবে।

তবে কিছু বিশ্লেষক পরিবর্তনের সময় নিয়ে উদ্বিগ্ন। বিনিয়োগ ব্যাংক জেফরিসের অতুল গয়াল বলেন, ‘পদক্ষেপটি সঠিক পথে রয়েছে। তবে ধীরগতিতে চলছে বলে মনে হচ্ছে। আমার মতে, এ পুনর্গঠনের জন্য ছয় মাসের সময়সীমা দেওয়া যেত। ২০২৩ একটি দীর্ঘপথ এবং আমরা নিশ্চিত নই যে এ সময়ের মধ্যে আরও কী কী পরিবর্তন আসবে।’

তোশিবা জাপানের প্রাচীন ও বৃহত্তম ফার্মগুলোর একটি। গৃহস্থালির যন্ত্রাংশ থেকে শুরু করে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন পর্যন্ত করে তারা। তবে কয়েক বছর ধরে কোম্পানিটি বিপর্যয়কর পরিবর্তনের সম্মুখীন হয়েছে। এর মধ্যে প্রতিষ্ঠানটির হিসাব কেলেঙ্কারি উল্লেখযোগ্য। সেই সঙ্গে মার্কিন পারমাণবিক ইউনিটে বিশাল লোকসানের মুখোমুখি হয়েছে তারা।

২০১৫ সালে তোশিবার ১৩০ কোটি ডলারের হিসাব গরমিল কেলেঙ্কারির বিষয়টি সামনে আসে। ওই কেলেঙ্কারি থেকে রক্ষা পেতেই স্বচ্ছতা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি। পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৪ হাজার কর্মী ছাঁটাই ঘোষণা করা হয় এবং এর সঙ্গে ৫৯০ কোটি ডলারের বিনিময়ে জাপানি প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ক্যানন-এর কাছে তোশিবার মেডিকেল যন্ত্রপাতি প্রস্তুতকরণের শাখাটি বিক্রি করে দেওয়া হয়। আর প্রতিষ্ঠান প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন মেডিকেল যন্ত্রপাতি প্রস্তুত বিভাগের প্রধান হিসেবে কাজ করা সাতোশি সুনাকাওয়া। তবে কোম্পানির ভেতরে আরও পরিবর্তন আনার চাপ ছিল বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে।

গত সপ্তাহে মার্কিন জায়ান্ট জেনারেল ইলেকট্রনিকও একই ধরনের পরিকল্পনা ঘোষণা করে।

বিশ্ববাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন