বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ওএনএসের পরিসংখ্যানবিদ জোনাথন অ্যাথো বলেন, প্রবৃদ্ধি বেড়েছে মূলত তেল ও গ্যাসের কারণে। বিধিনিষেধ শিথিল হয়েছে। গাড়ি উৎপাদনও বেড়েছে। তবে জুলাই মাসে অনেক কোম্পানিই কর্মীর সংকটে পড়েছে। জুলাই মাসে সেবা খাতে অবস্থা অপরিবর্তিত ছিল, তবে নির্মাণ খাত টানা চতুর্থ মাসের মতো সংকুচিত হয়েছে। এখানে উৎপাদন কমেছে প্রায় ১ দশমিক ৬ শতাংশ। নির্মাণসামগ্রীর অভাবের কারণে এ খাত প্রভাবিত হয়েছে। দাম বেড়েছে, সেই সঙ্গে উৎপাদনের চাহিদা মেটাতে ব্যর্থ হয়েছে।
ওএনএস জানিয়েছে, সামগ্রিকভাবে জুলাই পর্যন্ত তিন মাসে জিডিপি ৩ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়েছে।

চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হয় ৪ দশমিক ৮ শতাংশ। করোনার সংক্রমণ কমে আসায় এপ্রিল থেকেই শিথিল হতে থাকে যুক্তরাজ্যের বিধিনিষেধ। প্রথমে খুলে দেওয়া হয় নিত্যপ্রয়োজনীয় নয়, যেমন জিম, পারলারের মতো দোকানগুলো। মে মাসে খুলে দেওয়া হয় হোটেল-রেস্তোরাঁগুলো। আর এর সুফল দেখা গেছে অর্থনীতিতে। ভোক্তা ব্যয় বেড়েছে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি। তবে আবার সেই পুনরুদ্ধারের গতি কিছুটা কমে এসেছে।

বিশ্ববাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন