বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

ভারতের অর্থবছর শুরু হয় এপ্রিল মাস থেকে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে (এপ্রিল-অক্টোবর, ২০২১) ভারত থেকে বাংলাদেশের আমদানি টাকার অঙ্কে গত অর্থবছরের (২০২০-২১) একই সময়ের তুলনায় ৮১ শতাংশ বেড়েছে, যার পরিমাণ প্রায় পৌনে আটশো কোটি (৭.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) ডলার। গত অর্থবছরে ১০ দশমিক ৮৩ শতাংশ বৃদ্ধি নিয়ে এই পরিমাণ ছিল ৯০০ কোটি (৯.০৯ বিলিয়ন ডলার) ডলারের ওপরে।

ভারত থেকে পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে বাংলাদেশ ছিল নবম অবস্থানে। করোনাভাইরাসের প্রকোপের মধ্যে আমদানি আরও বৃদ্ধি পেয়ে গত অর্থবছরে পৌঁছায় পঞ্চম স্থানে। সেই ধারা অব্যাহত থাকায় চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশ চতুর্থ অবস্থানে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গত বছরের এপ্রিল থেকে অক্টোবর পর্যন্ত সময়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে আমদানি করা প্রধান পণ্যগুলোর মধ্যে ছিল তুলা (২১০ কোটি ডলার), শস্যবীজ (১৩০ কোটি ডলার), বিদ্যুৎ ও জ্বালানি (৬০ কোটি ডলার), গাড়ির যন্ত্রাংশ (৫০ কোটি ডলার) ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি (৪০ কোটি ডলার)।

ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান এক্সপোর্ট অর্গানাইজেশনের (এফআইইও) মহাপরিচালক ও প্রধান নির্বাহী অজয় সাহাই বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের অন্যান্য দেশে করোনাভাইরাসের কারণে কঠোর বিধিনিষেধের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। সে তুলনায় বাংলাদেশে পণ্য চলাচলে তুলনামূলকভাবে কম বাধা থাকায় সেখানে রপ্তানি বেড়েছে। এ ছাড়া কূটনৈতিক প্রচেষ্টা, রেল ও নৌপথে সহজ সরবরাহ ও কৃষিপণ্যের চাহিদা, এসব কারণেও রপ্তানি বেড়েছে।

প্রকাশিত তথ্যানুসারে, করোনা মহামারির মধ্যে ২০২০–২১ অর্থ বছরে ভারতের অর্থনীতি ৮ শতাংশ সংকুচিত হলেও বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫ দশমিক ৪৩ শতাংশ। একই সময়ে দেশের রপ্তানিও বেড়েছে।

ভারতের সঙ্গে রপ্তানি বাণিজ্যের এ অগ্রগতি ধরে রাখতে উদ্যোগ নিয়েছে দুই দেশ। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে ভার্চ্যুয়াল শীর্ষ সম্মেলনে দুই দেশের নেতারা শুল্ক ছাড়সহ বন্দরের বিধিনিষেধ, পদ্ধতিগত বাধা ও কোয়ারেন্টিন বিধিনিষেধের মতো বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন।

বিশ্ববাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন