বিজ্ঞাপন

জ্বালানি নিয়ন্ত্রক সংস্থা অফজেমের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যের ৬৫ লাখ পরিবার আগামী ২০৩০ সাল নাগাদ ইলেকট্রিক বা বৈদ্যুতিক গাড়ি (ইভি) কেনার পরিকল্পনা করেছে বলে জানিয়েছে। সেই তুলনায় কিন্তু বৈদ্যুতিক গাড়ির প্রতি মানুষের আগ্রহ অত্যন্ত নগণ্য।

সোসাইটি অব মোটর ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড ট্রেডার্সের (এসএমএমটি) এক গবেষণায় দেখা গেছে, যুক্তরাজ্যে সাড়ে তিন কোটি গাড়ির মধ্যে বৈদ্যুতিক গাড়ি ব্যবহারের হার মাত্র ১ শতাংশের সামান্য বেশি। তবে ধীরগতিতে হলেও বৈদ্যুতিক গাড়ির চাহিদা ও ব্যবহার বাড়ছে।

লিসা ব্র্যাঙ্কিন রেডিও ফাইভ লাইভের ‘ওয়েক আপ টু মানি’ নামের অনুষ্ঠানে বলেন, বৈদ্যুতিক গাড়ি কেনার প্রশ্নে অনেক গ্রাহকের মধ্যেই সংশয় দেখা গেছে।
ভোক্তা জরিপ ও শিল্প খাত নিয়ে গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান স্ট্যাটিস্টার ২০২০ সালের তথ্য অনুযায়ী যুক্তরাজ্যে এখনো সবচেয়ে বেশিসংখ্যক গাড়ি উৎপাদন করে ফোর্ড।

ফোর্ডের যুক্তরাজ্য ও আয়ারল্যান্ডের এমডি লিসা ব্র্যাঙ্কিন বলেন, ‘আমরা ভোক্তাদের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে একটি জরিপ করেছি। এতে আমরা দেখতে পাই, মাত্র ১০ শতাংশ ভোক্তা তাঁদের পরবর্তী গাড়ি কেনার ক্ষেত্রে ব্যাটারিচালিত মানে বৈদ্যুতিক গাড়ি কেনার কথা ভাবছেন। অন্যরা এখনো বৈদ্যুতিক গাড়ির গতি, ব্যাটারি চার্জ করার অবকাঠামো সুবিধা, তথ্যের ঘাটতিসহ কয়েকটি বিষয়ে শঙ্কার মধ্যে আছেন। এ ছাড়া বৈদ্যুতিক গাড়ির দাম নিয়েও তাঁদের উদ্বেগ রয়েছে।’

বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁরা বৈদ্যুতিক গাড়ি শিল্পে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁদের আশা, সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করে সরকার একটি সমন্বিত পরিকল্পনা হাতে নেবে।

এদিকে যুক্তরাজ্য সরকার যেসব গাড়ি পরিবেশদূষণ করে সেগুলোকে পর্যায়ক্রমে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে। সে অনুযায়ী যুক্তরাজ্যকে আগামী ২০৫০ সাল নাগাদ গাড়ির দূষণমুক্ত করা হবে। বৈদ্যুতিক গাড়ি শিল্প এবং চালকদের সহায়তায় ২৮০ কোটি পাউন্ড বিনিয়োগ করবে বলে জানিয়েছে।

যুক্তরাজ্যের বাজারে বর্তমানে বৈদ্যুতিক গাড়ির ১৩টি মডেল বিক্রি হচ্ছে। এসব গাড়ির দাম ৩০ হাজার পাউন্ডের কম। সূত্র: বিবিসি

বিশ্ববাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন