নতুন করে সুদহার বৃদ্ধির ফলে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি সুদহার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ দশমিক ৭৫ থেকে ৪ শতাংশে। ২০০৮ সালের পর যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক কখনোই এত বেশি সুদে বাজার থেকে অর্থ তুলে নেয়নি। ফলে গত ১৪ বছরের মধ্যে এ নীতি সুদহার সর্বোচ্চ।

নতুন করে সুদহারের বড় উত্থান ঘটিয়ে ক্ষান্ত হননি ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান জেরম পাওয়েল। তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, এ সুদহার ভবিষ্যতে আরও বাড়বে। নীতি সুদহার বাড়ানো উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘এখনো আমাদের যাওয়ার আরও কিছুটা পথ বাকি আছে।’

গত ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর বিশ্বে জ্বালানির দাম হু হু করে বাড়তে থাকে। তাতে বেড়ে যায় সব ধরনের জিনিসের দাম। এতে বিশ্বের দেশে দেশে মূল্যস্ফীতি লাগাম ছাড়া ঘোড়ার মতো ছুটতে শুরু করে। মূল্যস্ফীতির লাগামহীন এ ছুটে চলার লাগাম টানতে বিশ্বের দেশে দেশে নীতি সুদহার বাড়ানো শুরু হয়। যুক্তরাষ্ট্রও পিছিয়ে থাকেনি সেই পথে হাঁটতে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের নীতি সুদহার বৃদ্ধি বিশ্বজুড়ে বড় ধরনের প্রভাব ফেলে। কারণ, তাতে ডলার বাজার থেকে চলে যায় ফেডারেল রিজার্ভের ভল্টে। এতে বাজারে ডলারের টান পড়ে। আর বিশ্বের সিংহভাগ লেনদেন যেহেতু ডলারে নিষ্পন্ন হয়, তাই বাজারে ডলারের সরবরাহ কমলে তা বিশ্বের প্রায় সব দেশকেই প্রভাবিত করে। বাংলাদেশেও এখন চলছে তীব্র ডলার–সংকট।