দেশটির বিশ্লেষকেরা আশা করছেন, মানুষ পণ্যের তুলনায় সেবায় বেশি অর্থ ব্যয় করতে শুরু করলে মূল্যস্ফীতির এই গরম কিছুটা কমে আসবে। কিন্তু শ্রমবাজারে প্রতিযোগিতা বেশি থাকায় মজুরি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে আবার জিনসপত্রের মূল্য বেড়ে যাচ্ছে।

কোভিডের কারণে সরবরাহব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে দুই বছর ধরে। এ ছাড়া মহামারি মোকাবিলায় মার্কিন সরকার যে পরিমাণ প্রণোদনা (সব মিলিয়ে ৫ লাখ কোটি ডলার) নাগরিকদের দিয়েছে, তাতে মানুষের হাতে বিপুল অর্থ জমে যায়। গত বছরের শেষ ভাগে কোভিড বিধিনিষেধ অনেকটা শিথিল হলে মানুষও হাত খুলে ব্যয় করতে শুরু করে। তার জেরে গত বছরের শেষ দিক থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতির হার বাড়তে শুরু করে। এর এখন রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম প্রতি ব্যারেল ১০০ ডলারের ওপরে। আবার যুক্তরাষ্ট্রে রাশিয়ার তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ দফায় দফায় নীতি সুদহার বৃদ্ধি করেছে। গত মাসেই তারা নীতি সুদহার রেকর্ড পরিমাণ বৃদ্ধি করে ১ দশমিক ৭৫ শতাংশে উন্নীত করেছে।

বিশ্লেষকেরা বলেন, এবারের মূল্যস্ফীতি মূলত সরবরাহব্যবস্থার সংকটজনিত। সে জন্য নীতি সুদহার বৃদ্ধি করে এই মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। তাদের কথা এখন পর্যন্ত ফলে যাচ্ছে বলেই দেখা যাচ্ছে।

বিশ্ববাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন