পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মহামারির আগের তুলনায় এ বছরের সেপ্টেম্বর মাসে খুচরা ব্যবসার মধ্যে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে খাবার ও মুদি পণ্যের ব্যবসা। এর হার ৫৬ শতাংশ। দ্রুত খাবার পাওয়া যায়, এমন রেস্তোরাঁ ব্যবসার (কুইক সার্ভিস রেস্তোরাঁ) প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৪৮ শতাংশ। ক্রীড়া সরঞ্জাম, ভোগ্যপণ্য, জুতা, বস্ত্র ও পোশাক সব ক্ষেত্রেই ব্যবসা করোনার আগের সময়ের চেয়ে উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। প্রসাধনী ও গয়নার ব্যবসায় বৃদ্ধি কিছুটা কম। খবর ইকোনমিক টাইমসের

আরএআইয়ের সিইও কুমার রাজাগোপালনের বক্তব্য, এবার কেনাকাটা করা বা আত্মীয়-বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করায় বাধা ছিল না। ফলে সব ধরনের পণ্যের ব্যবসাতে বৃদ্ধির ছবি স্পষ্ট। তাঁদের দাবি, মানুষ শুধু নিজের জন্য নয়, প্রিয়জনদের উপহার দেওয়ার জন্য দোকান ও বাজারে ভিড় করেছেন। তাই উৎসবের সূচনাতে ফিরেছে সেই চেনা আমেজ।

উৎসবের মৌসুমের বাকি সময়ে এ ধারা বজায় থাকবে বলে আশাবাদী ব্যবসায়ীদের আরেক সংগঠন সিএআইটি। তাদের ধারণা, গোটা মৌসুমে বাজারে প্রায় ২.৫০ লাখ কোটি রুপির পুঁজি ঢুকবে।