বিশ্বকাপ ফুটবলে কতটা ব্যবসা করবে মার্কিন শহরগুলো, ট্রাম্পের নীতি নিয়ে উদ্বেগ
আল- ফিফা বিশ্বকাপের মতো বৈশ্বিক ক্রীড়া আসর সাধারণত স্বাগতিক শহরগুলোর জন্য অর্থনৈতিক আশীর্বাদ হিসেবে আসে। পর্যটকের ঢল, হোটেলকক্ষ ভরে যাওয়া, নতুন কর্মসংস্থান ও বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড—এসব প্রতিশ্রুতি থেকে এমন প্রত্যাশার জন্ম।
কিন্তু এবার টুর্নামেন্ট শুরুর মাত্র কয়েক দিন আগে পরিস্থিতির ভিন্ন ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। টিকিটের আকাশছোঁয়া দাম, প্রত্যাশার চেয়ে হোটেলকক্ষের আগাম সংরক্ষণ কম হওয়া ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে বিশ্বকাপ ঘিরে বড় ধরনের আর্থিক লাভের প্রত্যাশা প্রশ্নের মুখে পড়েছে।
আন্তর্জাতিক দর্শকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসননীতি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এপ্রিল মাসে আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নসহ (এসিএলইউ) কয়েকটি সংগঠন বিশ্বকাপ দেখতে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া বিদেশি দর্শকদের জন্য সতর্কবার্তা দেয়।
তাদের ভাষ্য, ‘ট্রাম্প প্রশাসনের ক্রমবর্ধমান কর্তৃত্ববাদী প্রবণতা সবার জন্য উদ্বেগের বিষয়; সেই সঙ্গে আছে ও সহিংসতার ঝুঁকি’। সংগঠনগুলো ভ্রমণকারীদের যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার আগে এবং অবস্থানের সময় জরুরি পরিস্থিতির জন্য বিকল্প ব্যবস্থা রাখার পরামর্শ দিয়েছে।
ভিসা নিয়েও আছে অনিশ্চয়তা। আগে ৫০টি দেশের নাগরিকদের কাছ থেকে ১৫ হাজার ডলারের জামানত নেওয়ার যে ভিসা বন্ড কর্মসূচি ছিল, তা বাতিল করা হয়েছে। মে মাসে বিশ্বকাপের টিকিটধারীদের ক্ষেত্রেও এ শর্ত তুলে নেওয়া হয়। তবে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে বিলম্বের কারণে অনেক দর্শক সময়মতো অনুমোদন না–ও পেতে পারেন, এমনকি শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হতে পারেন।
দেশীয় দর্শকদের অবস্থা খুব স্বস্তিদায়ক নয়। স্থবির চাকরির বাজার এবং জ্বালানিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণে মানুষের অতিরিক্ত ব্যয় করার সক্ষমতা কমেছে। আমেরিকান অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশনের (এএএ) তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে প্রতি গ্যালন জ্বালানির দাম ৪ দশমিক ১৬ ডলার। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যখন ইরানে হামলা শুরু করে, তখন দাম ছিল ২ দশমিক ৯৮ ডলার।
এসব কারণে বিশ্বকাপকেন্দ্রিক ভ্রমণের চাহিদা কমে যাচ্ছে। ফলে আয়োজক ও স্বাগতিক শহরগুলো যে অর্থনৈতিক জোয়ারের আশা করেছিল, তা বাস্তবে দেখা যাবে কি না, সে বিষয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।
নর্থ ক্যারোলাইনা স্টেট ইউনিভার্সিটির ক্রীড়া ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষক মাইক এডওয়ার্ডস আল–জাজিরাকে বলেন, ‘বেশি দামে টিকিট কিনে ভ্রমণে যাওয়ার আগ্রহ কমে গেছে। সেই সঙ্গে কিছু ভূরাজনৈতিক কারণেও মানুষ যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ ও অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে আরও সতর্ক।’
পর্যটন খাতে অস্থিরতা
বিশ্বকাপ শুরুর মাত্র কয়েক দিন আগে প্রকাশিত এক জরিপে দেখা গেছে, প্রায় ৮০ শতাংশ হোটেলের বুকিং প্রত্যাশার তুলনায় কম। আমেরিকান হোটেল অ্যান্ড লজিং অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৭০ শতাংশ প্রতিষ্ঠান ভিসাজনিত জটিলতা ও ভূরাজনৈতিক অস্থিরতাকে দুর্বল চাহিদার প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
ফাইনালের আয়োজক নিউইয়র্ক শহরে বুকিং প্রত্যাশার প্রায় ৬৫ শতাংশে সীমাবদ্ধ আছে। সিয়াটলে প্রায় ৮০ শতাংশ হোটেল গ্রীষ্মকালীন স্বাভাবিক বুকিংয়ের তুলনায় পিছিয়ে। অথচ বিশ্বকাপ উপলক্ষে পর্যটকের যে বাড়তি চাপের কথা ফিফা বলেছিল, তার সম্ভাবনা এখনো দেখা যাচ্ছে না।
শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, কানাডার ভ্যাঙ্কুভারেও প্রত্যাশার তুলনায় কম বুকিং হয়েছে। ব্রিটিশ কলাম্বিয়া হোটেল অ্যাসোসিয়েশন গত মাসে জানিয়েছে, বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা হলেও প্রত্যাশা অনুযায়ী মানুষের চাপ তৈরি হয়নি।
তবে কিছু নগর কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ী নেতা মনে করেন, পরিস্থিতি এতটা খারাপ হবে না। নিউইয়র্ক সিটির কর্মকর্তারা আল–জাজিরাকে বলেছেন, টুর্নামেন্ট শুরু হতে হতে বুকিং আবার গ্রীষ্মকালের স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরে আসবে বলে তাঁরা আশা করছেন।
কিন্তু সমালোচকদের মতে, ‘স্বাভাবিক’ বুকিং বিশ্বকাপ ফুটবলের জন্য স্বাভাবিক নয়; বরং এ সময় মানুষের উপচে পড়া ভিড় হওয়ার কথা।
আবাসন খাতের কিছু বড় প্রতিষ্ঠান অবশ্য এখনো আশাবাদী। এয়ারবিএনবির প্রধান নির্বাহী ব্রায়ান চেস্কি মে মাসে কোম্পানির প্রথম প্রান্তিকের আয়সংক্রান্ত আলোচনায় বলেন, কোম্পানির প্রায় ১৮ বছরের ইতিহাসে অন্য যেকোনো আয়োজনের তুলনায় বিশ্বকাপ উপলক্ষে বেশি বুকিং হবে—এমনটাই তাঁদের আশা।
ভাড়া বেশি
আল–জাজিরার অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ১৪ জুন ডালাসে অনুষ্ঠেয় ম্যাচের সময় স্টেডিয়ামের আশপাশে দুই রাতের জন্য এয়ারবিএনবির সবচেয়ে সস্তা হোটেলে ভাড়াও প্রায় ৭০০ ডলার। ১৯ জুন ফিলাডেলফিয়ার ম্যাচের আগে একই সময়ের জন্য সর্বনিম্ন ভাড়া প্রায় ৩০০ ডলার। ১৯ জুলাই ফাইনালের আগে নিউইয়র্ক মহানগর এলাকার মেটলাইফ স্টেডিয়ামে কাছাকাছি আবাসনের ভাড়া ৫ হাজার ৬০০ ডলারেরও বেশি।
ইউএস ট্রাভেল অ্যাসোসিয়েশনের যোগাযোগবিষয়ক সহসভাপতি অ্যালিসন ও’কনর বলেন, দেশীয় দর্শকেরা সাধারণত শেষ মুহূর্তে ভ্রমণের পরিকল্পনা করেন, তাই বুকিং এখন বাড়ছে। বিমান সংস্থাগুলোর অবস্থাও ভালো মনে হচ্ছে। তবে সড়কপথে যাতায়াতকারী দর্শকদের সংখ্যা এবার অনেক বেশি হতে পারে।
বিমান ভ্রমণের ক্ষেত্রেও চাহিদা বাড়ছে। বাজার বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান সোজার্নের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় হিউস্টনে বিমানের বুকিং ৩৮ শতাংশ ও ডালাসে ৪২ শতাংশ বেড়েছে। দুই শহরেই বিশ্বকাপের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
সোজার্নের তথ্য বলছে, মোট বিমান বুকিংয়ের প্রায় ৭০ শতাংশই দেশীয় ভ্রমণকারীদের। বিদেশি দর্শকদের মধ্যে কানাডা থেকে এসেছে মাত্র ৬ শতাংশের কিছু বেশি বুকিং এবং যুক্তরাজ্য থেকে ৪ দশমিক ৮ শতাংশ।
ও’কনরের মতে, আন্তর্জাতিক পর্যটকদের যে হিড়িক পড়ার কথা ছিল, তা বোধ হয় হচ্ছে না।
বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ, কেননা, বিদেশি পর্যটকেরা সাধারণত দেশীয় পর্যটকদের তুলনায় বেশি অর্থ ব্যয় করেন। ইউএস ট্রাভেল অ্যাসোসিয়েশনের হিসাব অনুযায়ী, বিশ্বকাপ উপলক্ষে বিদেশি দর্শকেরা গড়ে ৫ হাজার ডলারের বেশি ব্যয় করতে পারেন, দেশীয় দর্শকদের গড় ব্যয়ের তুলনায় যা ২০০ ডলারেরও বেশি।
টিকিটের দাম নিয়ে বিতর্ক
এত কিছুর পরও টিকিটের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেশি। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের সমর্থকদের অভিযোগ, দাম এতটাই বেশি যে তা সাধারণ ফুটবলপ্রেমীদের নাগালের বাইরে।
গত ডিসেম্বরে সমর্থকদের সংগঠন ‘ফুটবল সাপোর্টার্স ইউরোপ’ বলেছিল, এবার টিকিটের দাম ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের তুলনায় অন্তত সাত গুণ বেশি। এই মূল্যবৃদ্ধি ‘চাঁদাবাজির শামিল’ এবং ‘ভক্তদের সঙ্গে ঐতিহাসিক বিশ্বাসঘাতকতা’ বলে আখ্যা দিয়েছে সংগঠনটি।
ডালাসে শুরুর দিককার ম্যাচগুলোর ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, গ্যালারির টিকিটের সর্বোচ্চ গড় মূল্য ৮০০ ডলারের বেশি। ১৯ জুলাইয়ের ফাইনালের টিকিট ফিফার ওয়েবসাইটে নেই। কিন্তু টিকিটমাস্টারের মতো টিকিট কেনাবেচার বাজারে দাম শুরু হয়েছে প্রায় ৯ হাজার ২০০ ডলার থেকে, কিছু ক্ষেত্রে যা ৪৩ হাজার ৫৫৩ ডলার পর্যন্ত পৌঁছেছে।
এই হচ্ছে ডাইনামিক প্রাইসিংয়ের (চাহিদা, সরবরাহ, সময়, আসনের অবস্থান বা বাজার পরিস্থিতির ভিত্তিতে পণ্যের বা সেবার দাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে ওঠানামা করে) কেরামতি।
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো এ নীতির পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এটা যে ধরনের বাজার, সেখানে বিনোদন বিষয়টি সবচেয়ে উচ্চমার্গীয়। তাই বাজারদরের ভিত্তিতেই মূল্য নির্ধারণ করতে হবে।’
তবে পুনর্বিক্রয় বাজারে গত এক মাসে টিকিটের দাম ১১ শতাংশ কমেছে বলে জানিয়েছে টিকিটডেটা।
গত মাসের শেষ দিকে নিউইয়র্ক ও নিউ জার্সির অ্যাটর্নি জেনারেলরা ফিফার টিকিট মূল্য ও মূল্য নির্ধারণ কৌশল নিয়ে তদন্ত শুরু করেন।
নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিশিয়া জেমস বলেন, ‘দর্শকদের যেন কৃত্রিমভাবে অতিরিক্ত মূল্য দিতে বাধ্য করা না হয়; মানুষ যেন নিশ্চিত থাকতে পারে, তারা যে টিকিট কিনতে চায়, সেটিই তারা পাবে।’
স্থানীয়দের সম্পৃক্ত করার চেষ্টা
মে মাসে নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি ঘোষণা দেন, লটারির মাধ্যমে এক হাজার নিউইয়র্কবাসীকে ৫০ ডলারে বিশ্বকাপের টিকিট দেওয়া হবে। পাঁচটি এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে সমানভাবে টিকিট বণ্টন করা হবে। যদিও এসব টিকিট ফাইনালের জন্য নয়, বরং প্রথম দিকের ম্যাচগুলোর।
তবে ৮২ হাজার ৫০০ আসনের মেটলাইফ স্টেডিয়ামের তুলনায় এই সংখ্যা খুবই সামান্য।
বিশ্বকাপের টিকিট সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ার অভিযোগ সামনে এনে জেমস বলেন, নিউইয়র্কবাসী বহু বছর ধরে নিজেদের শহরে বিশ্বকাপের অপেক্ষায় আছে। তাদের সাশ্রয়ী মূল্যে টিকিট পাওয়ার ন্যায্য সুযোগ থাকা উচিত।
সোমবার মেয়র মামদানি ও নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের গভর্নর ক্যাথি হোকুল ‘গ্লোবাল সিটিজেনের’ সহযোগিতায় ১৯ জুলাই সেন্ট্রাল পার্কে ৫০ হাজার মানুষের জন্য ফাইনাল ম্যাচের উন্মুক্ত প্রদর্শনী আয়োজনের ঘোষণা দেন।
মেয়র বলেন, ‘বিশ্বকাপের অংশ হতে আপনাকে হাজার হাজার ডলার খরচ করতে হবে না। আমাদের জমানায় অন্তত তা হবে না।’
অবকাঠামো উন্নয়নের সুযোগ
যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে নতুন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প চলছে। অধ্যাপক মাইক এডওয়ার্ডস বলেন, ‘অনেক ক্ষেত্রে এমন মেগা আয়োজনের কল্যাণে প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি বেড়ে যায়। নইলে এসব কাজ হয়তো আরও দীর্ঘ সময় ধরে চলত, কিংবা পিছিয়ে যেত।’
যেমন হিউস্টনের কথা বলা যায়। এই শহরে ‘গ্রিন করিডর’ নামে প্রকল্প চালু হয়েছে; এর মাধ্যমে শহরের হাঁটা, সাইকেল ও গণপরিবহন নেটওয়ার্ক একত্রে সংযুক্ত করা হচ্ছে। এটি প্রথম নয়। ২০০৪ সালের সুপার বৌল উপলক্ষে হিউস্টনে বৈদ্যুতিক রেলব্যবস্থা চালু হয়।
একইভাবে কানসাস সিটিও বিশ্বকাপের আগে স্ট্রিটকার নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করেছে। পাশাপাশি ৩২ দিনের জন্য ২১৫টি অতিরিক্ত বাস ভাড়া করে গণপরিবহন সেবা বাড়ানো হচ্ছে।
কানসাস সিটির মেয়র কুইন্টন লুকাস বলেন, ‘এটি আমাদের জন্য পরীক্ষার ক্ষেত্র। দীর্ঘ মেয়াদে কীভাবে টেকসই অর্থায়নের মাধ্যমে উন্নত গণপরিবহনব্যবস্থা গড়ে তোলা যায়, তা আমরা এখান থেকে শিখতে পারব।’
তবে শহরের কিছু পরিকল্পনার কারণে বিতর্কও তৈরি হয়েছে। গত বছর বড় ও স্থায়ী আটককেন্দ্র নির্মাণ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নতুন কারাগার স্থাপনের প্রস্তাব দেওয়া হয়। গৃহহীন মানুষের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলোর অভিযোগ, বিশ্বকাপের সময় গৃহহীন মানুষদের জনসমক্ষ থেকে সরিয়ে রাখতেই এ উদ্যোগ।
যদিও মেয়র লুকাস এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাঁর ভাষায়, ‘বিশ্বকাপের ম্যাচ হবে—এই খবর পাওয়ার পর হঠাৎ করে এসব পরিকল্পনা করা হয়নি। আমাদের শহর গতিশীল, সেই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবেই এসব উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।’
বিশ্বকাপ ঘিরে এখনো অনেক প্রত্যাশা। তবে আন্তর্জাতিক ভ্রমণ কমে যাওয়া, ব্যয়বহুল টিকিট ও প্রত্যাশার তুলনায় দুর্বল পর্যটন—এই বাস্তবতায় স্বাগতিক শহরগুলো অর্থনৈতিকভাবে কতটা লাভবান হবে, তা নিয়ে সন্দেহ থেকে যায়।