প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সর্বশেষ প্রান্তিকে ইন্টারনেট ডেটা থেকে বাংলালিংকের আয় ২১ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়েছে। আর ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেড়েছে ৬ দশমিক ৪ শতাংশ।

বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এরিক অস বলেন, ‘ধারাবাহিকভাবে আমাদের দুই অঙ্কের প্রবৃদ্ধি হয়েছে।’ এতে বোঝা যায়, গ্রাহকদের কাছে বাংলালিংকের সম্প্রসারিত নেটওয়ার্ক ও উন্নত ডিজিটাল সেবা স্বীকৃতি পাচ্ছে। দেশের সব স্থানে সেবার মান নিশ্চিত করে বাংলালিংক প্রবৃদ্ধির এ ধারা অব্যাহত রাখতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বর্তমানে ফোর–জি কার্যক্রম সম্প্রসারণের কাজ করছে বাংলালিংক। গত ১০ মাসে ৩ হাজার ৪০০-এর বেশি বেইজ ট্রান্সসিভার স্টেশন বা বিটিএস স্থাপন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এতে ব্যবহার করা হচ্ছে টাইম ডিভিশন ডুপ্লেক্স (টিডিডি) প্রযুক্তি। ফলে সারা দেশে বাংলালিংকের সর্বোচ্চ গতির নেটওয়ার্ক বিস্তৃত হয়েছে। এতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের গ্রাহকেরা বাংলালিংকের ডিজিটাল সেবাও ব্যবহার করতে পারছেন।

এক বিজ্ঞপ্তিতে বাংলালিংক জানিয়েছে, কোম্পানির ফোর–জি ব্যবহারকারীর সংখ্যা গত প্রান্তিকে ৩১ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে। বর্তমানে বাংলালিংকের মোট দেড় কোটি ফোর–জি ব্যবহারকারী আছে।

বাংলালিংকের ডিজিটাল বিনোদন প্ল্যাটফর্ম টফিও ভালো ফল করেছে সর্বশেষ প্রান্তিকে। এ প্রান্তিকে টফির মাসিক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৭০ লাখে উঠেছে। আসন্ন বিশ্বকাপ ফুটবল সরাসরি এ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সম্প্রচারের কথা রয়েছে। এ ছাড়া গত প্রান্তিকে বাংলালিংকের মাইবিএল অ্যাপ ব্যবহারকারী সংখ্যা বেড়ে ৫১ লাখ হয়েছে।