প্রার্থীর খেলাপি ঋণের তথ্য পাঠানোর নির্দেশ
আসন্ন দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী বা তার মালিকানাধীন কোনো প্রতিষ্ঠান ঋণখেলাপি হলে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের আগেই তা জানাতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। ব্যাংকের শাখা পর্যায় থেকে প্রার্থীর তালিকা সংগ্রহ করে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে এ তথ্য সরবরাহ করতে হবে।
কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের গাফিলতির কারণে ঋণখেলাপি ব্যক্তি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে দায় নিতে হবে।
ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে বাংলাদেশ ব্যাংক গতকাল রোববার এ নির্দেশ দিয়েছে। এই চিঠির সঙ্গে অর্থমন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো একটি পরিপত্রও সংযোজন করা হয়েছে। পরিপত্রটি হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনেও পাঠানো হয়েছে।
ঘোষিত তফসিল অনুসারে আগামী ৫ জানুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন। তফসিল অনুসারে মনোনয়নপত্র জমার শেষ সময় ২ ডিসেম্বর। আর ৫ ও ৬ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের দিন।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চিঠিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের ঋণ তথ্য ব্যুরোতে ২০১৩ সালে অক্টোবর মাস পর্যন্ত ঋণের সব ধরনের তথ্য রয়েছে। মনোনয়নপত্র বাছাই শুরুর দিন বৃহস্পতিবারের আগেই ঋণখেলাপিসংক্রান্ত সব তথ্য সিআইবিতে পাঠাতে হবে। এ ছাড়া প্রার্থীদের কেউ ৫০ হাজার টাকার কম অঙ্কের ঋণখেলাপি হলে সে বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে অবহিত করতে হবে।
অর্থমন্ত্রণালয়ের পরিপত্রে ঋণখেলাপির তথ্য যাচাইয়ের নিয়ম-কানুনগুলো উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, মনোনয়নপত্র জমার সাত দিন আগে কেউ ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ঋণখেলাপি হলে নির্বাচনে অংশগ্রহণে অযোগ্য হবেন। এ ধরনের ব্যক্তি বা যৌথ মালিকানার কোম্পানির অংশীদার, ফার্ম ও অর্থ ঋণ আদালত আইন-২০০৩ দ্বারা সংজ্ঞায়িত কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পরিচালক হিসেবেও ঋণখেলাপি হলে নির্বাচনে অংশগ্রহণ অযোগ্য হবেন। বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত অথবা অন্য কোনো উৎস থেকে পাওয়া প্রার্থী তালিকাও ব্যাংকের শাখা পর্যায় থেকে যাচাই করতে পরিপত্রে বলা হয়েছে।