বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী (১৯৭২)

সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের চলচ্চিত্র ‘অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী’। কাহিনিতে পাকিস্তানি নৃশংসতার বিরুদ্ধে বাঙালিদের প্রতিরোধযুদ্ধের কথা আছে। এখানে একজন ধর্ষিতা নারীকে একজন অভিনেতা স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করেন।

সংগ্রাম (১৯৭৩)

এটি নির্মাণ করেন চাষী নজরুল ইসলাম। এর গল্প নেওয়া হয়েছে সেক্টর কমান্ডার মেজর খালেদ মোশাররফের ডায়েরি থেকে। এতে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট ও অন্যান্য বাহিনীর বীরত্বগাথা চিত্রিত হয়েছে। এই চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন সুচন্দা, খসরু।

ধীরে বহে মেঘনা (১৯৭৩)

এটির নির্মাতা আলমগীর কবির। ভারতীয় মেয়ে অনিতার প্রেমিক মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়। সে ঢাকায় এসে যুদ্ধের ভয়াবহতা দেখে আরও গভীরভাবে মর্মাহত হয়। অভিনয়ে বুলবুল আহমেদ, ববিতা, গোলাম মোস্তফা, আনোয়ার হোসেন, খলিল উল্লাহ প্রমুখ। হেমন্ত মুখোপাধ্যায় ও সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের গান আছে এ ছবিতে।

আবার তোরা মানুষ হ (১৯৭৩)

চলচ্চিত্রটির পরিচালক খান আতাউর রহমান। এ চলচ্চিত্রে যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ের সামাজিক বিশৃঙ্খলা ও অবক্ষয়ের চিত্র উঠে এসেছে। বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন ফারুক, রাইসুল ইসলাম আসাদ, ববিতা, রোজী আফসারী, রওশন জামিলসহ অনেকে। এখানে আছে উচ্ছৃঙ্খল ছাত্র ও তরুণদের কার্যকলাপ এবং একজন আদর্শবাদী অধ্যক্ষের দৃঢ়তা।

আলোর মিছিল (১৯৭৩)

এই সিনেমার নির্মাতা নারায়ণ ঘোষ মিতা। অসৎ ব্যবসায়ীর কার্যকলাপ, তরুণ ছাত্র ও আদর্শবাদী ভাইয়ের সততা এবং একটি আত্মহত্যা এ চলচ্চিত্রের প্রধান উপজীব্য।

মেঘের অনেক রং (১৯৭৬)

হারুনর রশীদ চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন। যুদ্ধের সময় রুমা নামের একজন চিকিৎসকের স্ত্রী ধর্ষণের শিকার হয়। এরপর সন্তানসহ কীভাবে বিরূপ পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়, এর মর্মস্পর্শী চিত্র রয়েছে। এতে অভিনয় করেছেন মাথিন, ওমর এলাহী, রওশন আরা, আদনান প্রমুখ। এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম রঙিন চলচ্চিত্র।

আমরা তোমাদের ভুলবো না (১৯৯০)

হারুনর রশীদ এ চলচ্চিত্রের পরিচালক। মতলব নামের একজন কিশোর মুক্তিযোদ্ধার আত্মত্যাগের কাহিনি নিয়ে এটি নির্মিত।

একাত্তরের যীশু (১৯৯৩)

চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেন নাসির উদ্দীন ইউসুফ। শাহরিয়ার কবিরের উপন্যাস থেকে এর কাহিনি নেওয়া হয়েছে। অভিনয় করেছেন পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়, হুমায়ুন ফরীদি, জহির উদ্দিন পীয়ার, আবুল খায়ের, আনোয়ার ফারুক, কামাল বায়েজীদ, শহীদুজ্জামান সেলিম।

আগুনের পরশমণি (১৯৯৪)

হুমায়ূন আহমেদের প্রথম চলচ্চিত্র ‘আগুনের পরশমণি’। নিজের লেখা উপন্যাস থেকে তিনি এটি নির্মাণ করেন। এতে অভিনয় করেন আসাদুজ্জামান নূর, বিপাশা হায়াত, আবুল হায়াত, ডলি জহুর প্রমুখ। যুদ্ধকালে অবরুদ্ধ ঢাকার পরিবেশ, একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের কাহিনি এবং বদি নামের একজন গেরিলাযোদ্ধার অপারেশন ও শহীদ হওয়ার ঘটনা নিয়ে চলচ্চিত্রটি নির্মিত।

হাঙর নদী গ্রেনেড (১৯৯৭)

সেলিনা হোসেনের গল্প অবলম্বনে এটি নির্মিত হয়। এর পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম। এর কাহিনিতে দেখা যায়, মুক্তিযোদ্ধাদের বাঁচাতে একজন মা তার বাক্প্রতিবন্ধী ছেলেকে তুলে দেয় পাকিস্তানি মিলিটারির হাতে।

জয়যাত্রা (২০০৪)

তৌকীর আহমেদ পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র এটি। চলচ্চিত্রের কাহিনি নেওয়া হয়েছে আমজাদ হোসেনের গল্প থেকে। এতে অভিনয় করেছেন বিপাশা হায়াত, আজিজুল হাকিম, মাহফুজ আহমেদ, হুমায়ুন ফরীদি, তারিক আনাম খান, আবুল হায়াত, চাঁদনী প্রমুখ।

গেরিলা (২০১১)

নাসির উদ্দীন ইউসুফ চলচ্চিত্রটির পরিচালক। সৈয়দ শামসুল হকের ‘নিষিদ্ধ লোবান’ উপন্যাস অবলম্বনে এটি নির্মিত হয়। অভিনয় করেছেন জয়া আহসান, ফেরদৌস, এ টি এম শামসুজ্জামান, রাইসুল ইসলাম আসাদ, পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী ওয়াদুদ, শম্পা রেজা, গাজী রাকায়েত প্রমুখ। মুক্তিযুদ্ধের সময় গেরিলা হামলার চিত্র এতে উঠে এসেছে।

মেহেরজান (২০১১)

এটি নির্মাণ করেন রুবাইয়াত হোসেন। এই চলচ্চিত্রে বাঙালি তরুণীর সঙ্গে পাকিস্তানি সৈনিকের প্রেম দেখানো হয়েছে।

আমার বন্ধু রাশেদ (২০১১)

মুহম্মদ জাফর ইকবালের কিশোর উপন্যাস থেকে চলচ্চিত্রের কাহিনি নেওয়া হয়েছে। এটি পরিচালনা করেন মোরশেদুল ইসলাম। কিশোর চরিত্রে অভিনয় করেছেন চৌধুরী জাওয়াতা আফনানসহ কয়েকজন। এ ছাড়া অন্যান্য চরিত্রে ছিলেন রাইসুল ইসলাম আসাদ, পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়, ইনামুল হক, হুমায়রা হিমু ও ওয়াহিদা মল্লিক জলি।

অনিল বাগচীর একদিন (২০১৫)

হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস থেকে কাহিনি নিয়ে মোরশেদুল ইসলাম নির্মাণ করেন ‘অনিল বাগচীর একদিন’।

স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র

মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রথম স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন মোরশেদুল ইসলাম। এর নাম ‘আগামী’ (১৯৮৪)। তানভীর মোকাম্মেল নির্মাণ করেন ‘হুলিয়া’ (১৯৯৫)। এ ছাড়া পরবর্তী সময়ে আরও বেশ কটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে।

প্রামাণ্যচিত্র

মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ১৯৭১ সালে চারটি প্রামাণ্যচিত্র নির্মিত হয়। এগুলো হলো জহির রায়হানের ‘স্টপ জেনোসাইড’, ‘আ স্টেট ইজ বর্ন’; আলমগীর কবিরের ‘লিবারেশন ফাইটার্স’ ও বাবুল চৌধুরীর ‘ইনোসেন্ট মিলিয়নস’। এসব প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণের উদ্দেশ্য ছিল পাকিস্তানি মিলিটারির গণহত্যা ও নৃশংসতা সম্পর্কে বিশ্ববাসীকে জানানো। এ ছাড়া শরণার্থীদের দেশত্যাগ ও আশ্রয়শিবিরের দুঃখ-যন্ত্রণার কথা উঠে এসেছে এসব প্রামাণ্যচিত্রে। জহির রায়হান চারটি প্রামাণ্যচিত্রের নাম দেন ‘জাতীয় মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র’।

তারেক মাসুদ ও ক্যাথরিন মাসুদ ‘মুক্তির গান’ (১৯৯৫) নামে একটি প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ করেন। এখানে মুক্তিযুদ্ধের সময়কার একটি ভ্রাম্যমাণ গানের দলের কার্যক্রম তুলে ধরা হয়েছে। ১৯৭১ সালে মার্কিন চলচ্চিত্র নির্মাতা লিয়ার লেভিনের ধারণ করা ফুটেজ থেকে এটি তৈরি করা হয়।

নিচের তালিকায় আরও কিছু মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ও প্রামাণ্যচিত্রের নাম দেওয়া হলো:

মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র

সাল চলচ্চিত্রে নাম পরিচালক

১৯৭২ জয় বাংলা ফখরুল আলম

১৯৭২ বাঘা বাঙ্গালী আনন্দ

১৯৭২ রক্তাক্ত বাংলা মমতাজ আলী

১৯৭৩ আমার জন্মভূমি আলমগীর কুমকুম

১৯৭৩ শ্লোগান কবীর আনোয়ার

১৯৭৪ কার হাসি কে হাসে আনন্দ

১৯৭৪ বাংলার ২৪ বছর মোহাম্মদ আলী

১৯৭৯ রূপালি সৈকত আলমগীর কবির

১৯৮১ কলমীলতা শহীদুল হক খান

১৯৮১ বাঁধন হারা এ জে মিন্টু

১৯৮২ চিত্কার মতিন রহমান

১৯৯৩ আমরা তোমাদের ভুলব না হারুনর রশীদ

১৯৯৪ সিপাহী কাজী হায়াৎ

১৯৯৫ নদীর নাম মধুমতী তানভীর মোকাম্মেল

১৯৯৭ এখনো অনেক রাত খান আতাউর রহমান

১৯৯৮ ’৭১–এর লাশ নাজিরউদ্দীন রিজভী

২০০০ ইতিহাস কন্যা শামীম আখতার

২০০১ একজন মুক্তিযোদ্ধা বি এম সালাউদ্দিন

২০০২ শিলালিপি শামীম আখতার

২০০২ মাটির ময়না তারেক মাসুদ

২০০৪ শ্যামল ছায়া হুমায়ূন আহমেদ

২০০৪ মেঘের পরে মেঘ চাষী নজরুল ইসলাম

২০০৬ ধ্রুবতারা চাষী নজরুল ইসলাম

২০০৬ খেলাঘর মোরশেদুল ইসলাম

২০০৭ অস্তিত্বে আমার দেশ খিজির হায়াত খান

২০০৭ স্পার্টাকাস ৭১ মোস্তফা সরয়ার ফারুকী

২০০৮ রাবেয়া তানভীর মোকাম্মেল

২০১০ নিঝুম অরণ্যে মুশফিকুর রহমান গুলজার

২০১২ আত্মদান শাহজাহান চৌধুরী

২০১২ কারিগর আনোয়ার শাহাদাত

২০১২ খণ্ড গল্প ৭১ বদরুল আনাম সৌদ

২০১২ পিতা মাসুদ আখন্দ

২০১৩ জীবনঢুলী তানভীর মোকাম্মেল

২০১৩ ৭১–এর গেরিলা মিজানুর রহমান শামীম

২০১৪ ৭১–এর সংগ্রাম মনসুর আলী

২০১৪ মেঘমল্লার জাহিদুর রহিম অঞ্জন

২০১৪ অনুক্রোশ গোলাম মোস্তফা শিমুল

২০১৪ হৃদয়ে একাত্তর সাদেক সিদ্দিকী

২০১৪ ৭১–এর মা জননী শাহ আলম কিরণ

২০১৪ যুদ্ধশিশু মৃত্যুঞ্জয় দেবব্রত

২০১৫ এই তো প্রেম সোহেল আরমান

২০১৫ শোভনের স্বাধীনতা মানিক মানবিক

প্রামাণ্যচিত্র

সাল প্রামাণ্যচিত্র পরিচালক/নির্মাতা

১৯৭১ ডেডলাইন বাংলাদেশ গীতা মেহতা

১৯৭২ ডায়েরিজ অব বাংলাদেশ আলমগীর কবির

১৯৭২ নাইন মান্থস টু ফ্রিডম এস সুখদেব

১৯৭২ দেশে আগমন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর

১৯৭৩ পোগ্রম ইন বাংলাদেশ আলমগীর কবির

১৯৭৪ লং মার্চ টুওয়ার্ডস গোল্ডেন বাংলা আলমগীর কবির

১৯৭৬ মুক্তিযোদ্ধা বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর

১৯৮৩ বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ সৈয়দ শামসুল হক

১৯৮৩ বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর সৈয়দ শামসুল হক

১৯৮৪ বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান সৈয়দ শামসুল হক

১৯৮৪ জেনারেল এম এ জি ওসমানী বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর

১৯৮৪ বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান সৈয়দ শামসুল হক

১৯৮৪ বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমীন সৈয়দ শামসুল হক

১৯৮৫ বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আবদুর রউফ সৈয়দ শামসুল হক

১৯৮৫ বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল সৈয়দ শামসুল হক

১৯৮৫ এক সাগর রক্তের বিনিময়ে আলমগীর কবির

১৯৯১ স্মৃতি একাত্তর তানভীর মোকাম্মেল

১৯৯৭ চারুকলায় মুক্তিযুদ্ধ মানজার হাসীন

১৯৯৮ মুক্তির কথা তারেক মাসুদ ও ক্যাথরিন মাসুদ

২০০১ কামালপুরের যুদ্ধ চাষী নজরুল ইসলাম

২০০১ মৃত্যুঞ্জয়ী সাজ্জাদ জহির

২০০১ প্রতিকূলের যাত্রী কাওসার চৌধুরী

২০০২ সেই রাতের কথা বলতে এসেছি কাওসার চৌধুরী

২০০২ স্বাধীনতা ইয়াসমিন কবির

২০০৩ ফিনিক্স নিশাত জাহান রানা

২০০৩ প্রিয়ভাষিণী মাহবুব আলম

২০০৩ মুক্তিযোদ্ধা আমরাও সৈয়দ তারেক

২০০৪ তখন এনামুল করিম নির্ঝর

২০০৭ তাজউদ্দীন: নিঃসঙ্গ সারথি তানভীর মোকাম্মেল

২০০৭ আমি স্বাধীনতা এনেছি সাগর লোহানী

২০০৭ অনেক কথার একটি কথা আনন্দ

২০০৭ অন্য মুক্তিযোদ্ধা লুত্ফুন্নাহার মৌসুমী

২০০৭ কালরাত্রি অশোক কর্মকার ও মানজারে হাসীন

২০১১ ১৯৭১ তানভীর মোকাম্মেল

স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র

সাল চলচ্চিত্রে নাম পরিচালক

১৯৮৫ চাক্কি এনায়েত করিম বাবুল

১৯৮৬ প্রত্যাবর্তন মোস্তফা কামাল

১৯৮৮ সূচনা মোরশেদুল ইসলাম

১৯৮৮ ছাড়পত্র জামিউল রহমান লেমন

১৯৮৯ বখাটে হাবিবুল ইসলাম হাবিব

১৯৮৯ দুরন্ত খান আখতার হোসেন

১৯৮৯ পতাকা এনায়েত করিম বাবুল

১৯৮৯ ধূসর যাত্রা আবু সাইয়ীদ

১৯৯০ একজন মুক্তিযোদ্ধা দিলদার হোসেন

১৯৯০ কালোচিল ৭১ সাদুল্লা আল মাসুদ

১৯৯২ ধূসর যাত্রা আবু সাইয়ীদ

১৯৯৭ বাংলা মায়ের দামাল ছেলে রফিকুল বারী চৌধুরী

১৯৯৮ গৌরব হারুনর রশীদ

২০০০ শোভনের একাত্তর দেবাশীষ সরকার

২০০০ শরৎ ’৭১ মোরশেদুল ইসলাম

২০০০ মুক্তিযুদ্ধ ও জীবন ছটকু আহমদ

২০০১ একাত্তরের মিছিল কবরী সারওয়ার

২০০১ একাত্তরের রংপেন্সিল মান্নান হীরা

২০০২ হৃদয় গাঁথা রহমান মুস্তাফিজ

২০০৪ যন্ত্রণার জঠরে সূর্যোদয় সৈয়দ রেজাউর রহমান

২০১০ নরসুন্দর তারেক মাসুদ

২০১০ দুর্জয় জাঁ নেসার ওসমান

২০১০ নীল দংশন সুমন আহমেদ

২০১৪ দ্য অ্যাডভেঞ্চার রফিকুল আনোয়ার রাসেল

অনুশীলন

১. ‘ওরা ১১ জন’ চলচ্চিত্রের পরিচালক—

(ক) চাষী নজরুল ইসলাম (খ) আলমগীর কবির

(গ) সুভাষ দত্ত (ঘ) তানভীর মোকাম্মেল

২. ‘অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী’ মুক্তি পায় কত সালে?

(ক) ১৯৭১ (খ) ১৯৭২

(গ) ১৯৭৩ (ঘ) ১৯৭৪

৩. আলমগীর কবির নির্মিত চলচ্চিত্র—

(ক) ‘আবার তোরা মানুষ হ’ (খ) ‘সংগ্রাম’

(গ) ‘অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী’ (ঘ) ‘ধীরে বহে মেঘনা’

৪. ‘আবার তোরা মানুষ হ’ চলচ্চিত্রটির পরিচালক কে?

(ক) আলমগীর কবির (খ) খান আতাউর রহমান

(গ) আনন্দ (ঘ) চাষী নজরুল ইসলাম

৫. হুমায়ূন আহমেদ নির্মিত ‘আগুনের পরশমণি’ চলচ্চিত্রের চরিত্র বদি একজন—

(ক) গেরিলাযোদ্ধা (খ) পান বিক্রেতা

(গ) রাজাকার (ঘ) মাঝি

৬. ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’ চলচ্চিত্রের পরিচালক কে?

(ক) সেলিনা হোসেন (খ) চাষী নজরুল ইসলাম

(গ) তানভীর মোকাম্মেল (ঘ) তারেক মাসুদ

৭. ‘জয়যাত্রা’ চলচ্চিত্রের কাহিনি নেওয়া হয়েছে—

(ক) সৈয়দ শামসুল হকের উপন্যাস থেকে (খ) আমজাদ হোসেনের গল্প থেকে

(গ) সেলিনা হোসেনের গল্প থেকে (ঘ) হুমায়ূন আহমেদের গল্প থেকে

৮. মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র কোনটি?

(ক) ‘বখাটে’: হাবিবুল ইসলাম হাবিব (খ) ‘প্রত্যাবর্তন’: মোস্তফা কামাল

(গ) ‘পতাকা’: এনায়েত করিম বাবুল (ঘ) ‘আগামী’: মোরশেদুল ইসলাম

৯. প্রামাণ্যচিত্র ‘আ স্টেট ইজ বর্ন’ কে নির্মাণ করেন?

(ক) জহির রায়হান (খ) খান আতাউর রহমান

(গ) চাষী নজরুল ইসলাম (ঘ) গীতা মেহতা

১০. ‘গেরিলা’ চলচ্চিত্রের কাহিনির ভিত্তি

(ক) ‘নিষিদ্ধ লোবান’ (খ) ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’

(গ) ‘যাত্রা’ (ঘ) ‘নেকড়ে অরণ্য’

উত্তর ১. ক ২. খ ৩. ঘ ৪. খ ৫. ক ৬. খ ৭. খ ৮. ঘ ৯. ক ১০. ক

চাকরি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন